8.3 C
New York
Sunday, July 12, 2020
Home Blog

অস্থির তৃণমূল আওয়ামী লীগ

0

অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও গ্রুপিংয়ের কারণে অভিমানে দূরে সরে যাচ্ছেন ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতারা

সুবর্নবাংলা ডেস্ক-

টানা তৃতীয় মেয়াদেও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসার পর আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে সরকারি দল আওয়ামী লীগের একশ্রেণীর মুনাফালোভী এমপি ও নেতা। এসব এমপি ও নেতারা নিজ নিজ এলাকায় বলয় গড়ে তোলার মধ্যদিয়ে একপ্রকার রাম রাজত্ব করছেন। দলের দায়িত্বশীল অধিকাংশ এমপি ও নেতার বলয়ভিত্তিক রাজনীতির কারণে প্রায়ই ঘটছে হামলা-মামলা, সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার মতো ঘটনা। এসব কারণে অস্থির হয়ে উঠেছে তৃণমূল আওয়ামী লীগের রাজনীতি।

এসব অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও গ্রুপিংয়ের কারণে অভিমানে দিন দিন দূরে সরে যাচ্ছেন দলের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতারা। জানা গেছে, দেশজুড়ে স্থানীয় এমপি ও নেতাদের মধ্যে গড়ে উঠা দ্বন্দ্ব-গ্রুপিংয়ে একের পর এক মামলার শিকার হচ্ছেন দলের তৃণমূল নেতাকর্মীরা।

ক্ষমতার লড়াইয়ে অভ্যন্তরীণ গ্রুপিং রাজনীতির কারণে একদিকে যেমন দল জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে অপরদিকে অভিমানে দূরে সরে যাচ্ছেন দলটির ত্যাগী, পরিশ্রমী ও পরীক্ষিত নেতারা। তাই অভ্যন্তরীণ এসব দ্বন্দ্ব নিরসনের জন্য কেন্দ্রীয় নেতাদের হস্তক্ষেপ চায় তৃণমূল আওয়ামী লীগ। দলটির শীর্ষপর্যায়ের নেতারা বলছেন, দলের অভ্যন্তরে নেতৃত্বের প্রতিযোগিতার নামে কোনো বিশৃঙ্খলা বরদাস্ত করা হবে না। বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের চিহ্নিত করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সূত্রে জানা গেছে, একাদশ জাতীয় নির্বাচনের মধ্যদিয়ে টানা তৃতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় রয়েছে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন সরকার। টানা ক্ষমতায় থাকায় তৃণমূল আওয়ামী লীগে এক প্রকার এমপি বনাম তৃণমূল আওয়ামী লীগের মধ্যে বলয় সৃষ্টি হয়েছে। আর দলে বলয়ভিত্তিক নেতৃত্ব দিচ্ছেন স্থানীয় এমপি ও তার ছত্রছায়ায় থাকা নেতাকর্মীরা।

এককভাবে নিয়ন্ত্রণ করছেন পুরো নির্বাচনী এলাকা। তাদের দাপটে দলের সব সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তৃণমূলের ত্যাগী নেতাকর্মীরা। বর্তমান এমপিরা নেতাকর্মীদের পাশ কাটিয়ে নিজের পছন্দের লোকজনকে প্রাধান্য দেয়াসহ নানা অনিয়ম, বিলাসিতা, স্বজনপ্রীতিসহ নয়-ছয় গ্যাঁড়াকলে জড়িয়ে পড়ায় অধিকাংশ এমপির গ্রহণযোগ্যতা এখন প্রশ্নের সম্মুখীন।

একই সাথে তাদের বিতর্কিত কর্মকান্ডে কারণে দলের অভ্যন্তরে দ্বন্দ্ব ও সংঘর্ষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। দল ক্ষমতায় থাকলেও বিনা কারণে দলের অনেকের নামেই মামলা দেয়া হচ্ছে। আর দলের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছেন হাইব্রিড আওয়ামী লীগ এবং ভিন্নপন্থী রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাকর্মীরা।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, রাজধানী ঢাকাতেই দীর্ঘদিন ধরেই অভ্যন্তরীণ গ্রুপিং ও দ্বন্দ্ব চলছে। এসব দ্বন্দ্বের কারণে ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকটি থানার পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা সম্ভব হয়নি। একই অবস্থা রাজধানীর বাইরের বেশ কিছু জেলা-উপজেলায়ও।

অস্থিরতা নিয়ে চলছে সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ ও দলটির সব সহযোগী সংগঠনের রাজনীতি। তাদের এক পক্ষে নেতৃত্ব দিতেন সদ্যপ্রয়াত আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম এবং অন্য পক্ষে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জেলা আ.লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ডা. হাবিবে মিল্লাত মুন্না। দীর্ঘদিন জেলায় গ্রুপিং থাকলেও হঠাৎ প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে তাদের অভ্যন্তরীণ কোন্দল।

বিশেষ করে সদ্যপ্রয়াত আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোহাম্মদ নাসিমের মৃত্যুর পর থেকেই ক্রমশই বাড়তে শুরু করেছে দুপক্ষের সংঘর্ষ।

স্থানীয় আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্রে জানা গেছে, দলের সভাপতিম-লীর সদস্য সদ্যপ্রয়াত মোহাম্মদ নাসিমের স্মরণে গত ২৬ জুন দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে জেলা ছাত্রলীগ। এসময় দোয়া মাহফিলে যোগ দিতে আসেন জেলা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক ও জামতৈল সরকারি হাজি কোরপ আলী ডিগ্রি কলেজ শাখার সভাপতি এনামুল হক বিজয়।

দোয়া মাহফিলে যোগ দিতে যাওয়ার পথে শহরের বাজার স্টেশন এলাকায় তাকে মাথায় কুপিয়ে জখম করে একদল সন্ত্রাসী। এর ৯ দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান বিজয়। মৃত্যুর পর গত মঙ্গলবার জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে তার স্মরণ সভায় জেলা ছাত্রলীগের দুপক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে পুরো শহর রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

সংঘর্ষে জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল হকসহ অন্তত ৫০ জন আহত হন। যার প্রভাব পড়েছে পুরো জেলাজুড়ে। ভয় আর আতঙ্কে অনেকেই গাঢাকা দিয়েছেন। বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাসকালে জেলার এমন ঘটনায় ক্ষুব্ধ আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড।

জানা যায়, পাবনার চাটমোহর উপজেলার হান্ডিয়াল ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাসেল আহম্মেদের গ্রুপের সাথে সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব ও তার সঙ্গীদের কথাকাটাকাটি হয়। পরে সন্ধ্যায় একদল যুবক হাবিব ও নাসিরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই মারা যান হাবিব।

এর আগে থেকেই এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে স্থানীয় ছাত্রলীগের দুপক্ষের মধ্যে অভ্যন্তরীণ কোন্দল ছিল। যার নেতৃত্ব দিতেন আ.লীগের একজন প্রভাবশালী নেতা। গত ৬ জুন নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। নিজেদের মধ্য আধিপত্য বিস্তার নিয়ে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক দফতর সম্পাদক মোবারক হোসেন ও ফতুল্লা ইউনিয়ন ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ড আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক সমর্থিত দুটি গ্রুপ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সংঘর্ষে আওয়ামী লীগের আটজন নেতাকর্মী আহত হন।

গত ২৬ মে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার আমানউল্লাপুর ইউনিয়নে আ.লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার, দলীয় কোন্দল ও পূর্বশক্রতার জেরে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, সংষর্ষ ও গুলির ঘটনা ঘটে। ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আরিফুর রহমান মাহমুদ গ্রুপ ও ইউনিয়ন আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল হুদা খোকন গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়।

সংঘর্ষে চারজন গুলিবিদ্ধসহ ১৩ জন আহত হন। তোরণ নির্মাণকে কেন্দ্র করে পটুয়াখালীর বাউফলে আ.লীগের দু’পক্ষের মধ্যে গত ২৪ মে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় সাংসদ আ স ম ফিরোজের সাথে বাউফল পৌরসভার মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জিয়াউল হকের বিরোধ চলে আসছিল।

কিন্তু বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে করণীয় বিষয়ে লেখা-সংবলিত একটি তোরণ নির্মাণ করছিলেন মেয়র পক্ষের লোকজন। ওই তোরণ নির্মাণে বাধা দেন স্থানীয় সাংসদপন্থীরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান মেয়র। তখন দু’পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে তাপস নামের এক যুবলীগ কর্মী নিহত হন। অন্তত ৯ জন আহত হন।

দীর্ঘদিন ধরেই দলীয় কোন্দলে জর্জরিত মাদারীপুর আ.লীগের রাজনীতি। গত ৩ মে জেলার সদর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দীর্ঘদিন ধরেই জেলা যুবলীগের সহ-সম্পাদক বিল্লাল মোল্লার সাথে একই এলাকার উপজেলা আ.লীগের সহ-সভাপতি রাজু হাওলাদারের দ্বন্দ্ব চলে আসছিল।

ওই দ্বন্দ্বের জের ধরেই দু’পক্ষের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে উভয়পক্ষের ১০ জন আহত হয়। এছাড়াও দেশের বেশকিছু স্থানে বিভিন্ন সময় নিজ দল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মাঝে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের কারণে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেই চলছে। আর অধিকাংশ সংঘর্ষের নেতৃত্বে দেন স্থানীয় সাংসদ এবং সাংসদপন্থী নেতারা। তাদের দাপটে দিন দিন দুর্বল হচ্ছে দলটির তৃণমূলের রাজনীতি।

এ বিষয়ে দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম বলেন, আওয়ামী লীগ একটি বড় রাজনৈতিক দল। এই দলের নেতাকর্মীও অনেক। সবার মাঝে প্রতিযোগিতা থাকতে পারে। কিন্তু প্রতিযোগিতার নামে বিশৃঙ্খলা সহ্য করা হবে না। এই ঘটনার সাথে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। গত ১৪ জুন ছাত্রলীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরে পাবনার চাটমোহরে প্রতিপক্ষের অস্ত্রাঘাতে নিহত হন হাবিবুর রহমান হাবিব নামের এক ছাত্রলীগ নেতা।

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক বলেন, সারা দেশের দলীয় নেতাকর্মীদের সব কার্যক্রম মনিটরিং করা হচ্ছে।

যারা দলের মধ্যে বিশৃঙ্খলা তৈরি করে বিভেদের রাজনীতি করছে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ বিষয়ে আমাদের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কঠোর অবস্থানে রয়েছেন।

দলের অভ্যন্তরে কোন্দল সৃষ্টি করে যারা ফায়দা লুটতে চায় তাদের ছাড় দেয়া হবে না জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এম এম কামাল হোসেন। তিনি বলেন, যেসব স্থানে নিজেদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে তাদের বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আওয়ামী লীগে কোনো বিশৃঙ্খলাকারীর স্থান হবে না বলে উল্লেখ করেন তিনি।

সূত্র-ইন্টারনেট/এসএমবি

বৃষ্টি থাকবে আরও চার দিন

0

সুবর্নবাংলা ডেস্ক-

রাজধানীসহ দেশের উত্তর ও দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে আগামী ১৪ জুলাই পর্যন্ত টানা বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এরপর বৃষ্টির পরিমাণ কমে এলেও পাঁচদিন বিরতি দিয়ে ফের বৃষ্টি শুরু হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। গতকাল শনিবার এ সব তথ্য জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ মো. আফতাব উদ্দিন।

তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানী ঢাকাছাড়া দেশের সব জায়গাতেই বৃষ্টি হয়েছে। সব থেকে বেশি বৃষ্টি হয়েছে বগুড়াতে

১০৭ মিলিমিটার। এরপর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেকর্ড করা হয়েছে তেঁতুলিয়ায় ১০৬ মিলিমিটার। এ ধারা অব্যাহত থাকবে আরও চারদিন। এর মধ্যে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, সিলেট, ঢাকা, খুলনা ও বরিশালে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও ভারি বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

১৪ জুলাইয়ের পর ৫ দিনের জন্য বৃষ্টি পরিমাণ কমে আসবে। এরপর আবার ১৮ বা ১৯ জুলাই থেকে বৃষ্টি শুরু হবে। এ আবহাওয়াবিদ বলেন, এখন বর্ষা মৌসুম। এ সময় সাধারণত ঘূর্ণিঝড় বা সাইক্লোন থাকে না। এ সময়ে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। জুন মাস থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ চার মাসে সাধারণত বেশি বৃষ্টি হয়।

সেপ্টেম্বর মাসে গিয়ে বৃষ্টি একেবারের কমে আসে। আবহাওয়ার সর্বশেষ বার্তায় বলা হয়েছে, মৌসুমি বায়ুর অক্ষ পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, বিহার, হিমালয়ের পাদদেশীয়, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি থেকে প্রবল অবস্থায় বিরাজ করছে।

সর্তক বার্তায় বলা হয়েছে, সক্রিয় মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগার ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার এবং সমুদ্রবন্দর সমূহের ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। চট্টগ্রাম, কঙ্বাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি এসে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

সূত্র-ইন্টারনেট/এসএমবি

করোনায় জাপা নেতা খালেদ আখতারের

0

সুবর্নবাংলা ডেস্ক-

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন জাতীয় পার্টির সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য ও এরশাদ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান মেজর (অব.) খালেদ আখতার। গতকাল শনিবার সকাল ৬টায় রাজধানীর সিএমএইচে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। গণমাধ্যমকে এ বিষয়টি জাতীয় পার্টির সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক এমএ রাজ্জাক খান নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, মেজর খালেদ আখতার মাসখানেক আগেই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন। ২২ জুন তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে সিএমএইচে ভর্তি করা হয়। আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল শনিবার সকালে তিনি মারা যান।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজিতে অনার্স পড়া অবস্থায় সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন খালেদ। ১৯৮৬ সালে সেনাবাহিনীর চাকরি ছেড়ে তিনি জাতীয় পার্টিতে যোগ দেন।

এরশাদের ফুপাত ভাই সাফায়েত হোসেনের ছেলে খালেদ প্রথমে দলীয় চেয়ারম্যানের একান্ত সচিব ছিলেন। পরে দলের কোষাধ্যক্ষ ও আরো পরে দলের সভাপতিম-লীর সদস্য হন। এরশাদের মৃত্যুর পরে দলের সর্বশেষ কাউন্সিলে তাকে প্রেসিডিয়াম সদস্য থেকে বাদ দেয়া হয়।

সূত্র-ইন্টারনেট/এসএমবি

বনানীতে পথচারী নিহত সিসি টিভি ফুটেজ দেখে ঘাতক গাড়ি খুঁজছে পুলিশ

0

সুবর্নবাংলা ডেস্ক-

রাজধানীর বনানীতে সেতু ভবনের সামনে সড়ক দুর্ঘটনায় আবুল হোসেন (৫৫) নামে এক ব্যক্তি মারা গেছেন। তিনি একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানিতে স্টোর কিপার পদে চাকরি করতেন। গতকাল শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। কোন্ গাড়ির চাপায় তার মৃত্যু হয়েছে জানতে ওই এলাকায় সিসি টিভি ফুটেজ পরীক্ষা করছে পুলিশ।

নিহতের সহকর্মী শিপু জানান, ঘটনার সময় আবুল হোসেন রাস্তা পার হচ্ছিলেন। ওই সময় একটি গাড়ির ধাক্কায় তিনি গুরুতর আহত হন। পরে আশপাশের লোকজনসহ তিনি আবুল হোসেনকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসলে সেখানকার চিকিৎসক সাড়ে ১২টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

শিপু জানান, আবুল হোসেনের গ্রামের বাড়ি ঝালকাঠি জেলায়। বর্তমান উত্তরা এলাকায় থাকতেন। বনানী থানার উপ-পরিদর্শক নওশাদ আলী জানান, সেতু ভবনের পাশে সামনের রাস্তা পার হওয়ার সময় একটি গাড়ি তাকে চাপা দেয়। তবে কি গাড়ি তা জানা যায়নি। সিসি টিভি’র ফুটেজ দেখে শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

সূত্র-ইন্টারনেট/এসএমবি

করোনাকালে বন্ধ হয়ে গেছে ২৭৫টি স্থানীয় সংবাদপত্র : বিআইজেএন

0

সুবর্নবাংলা ডেস্ক-

করোনাকালে দেশের উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় শহর থেকে প্রকাশিত ৪৫৬টি স্থানীয় সংবাদপত্রের মধ্যে ২৭৫টি (৬০.৩১%) সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। অনিয়মিত অর্থাৎ বিজ্ঞাপন পেলে অথবা অর্থসংস্থান হলে ১৮টি (৩.৯৫%) সংবাদপত্র প্রকাশ করা হয়। বাংলাদেশ ইন্ডিপেন্ডেন্ট জার্নালিস্টস নেটওয়ার্ক (বিআইজেএন) এর এক জরিপ এ তথ্য উঠে এসেছে। গতকাল শনিবার ওই জরিপের প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।

জরিপের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, মার্চের করোনা সংক্রমণ শুরুর পর থেকে প্রায় সব স্থানীয় সংবাদপত্র পুরোপুরি কিছুদিনের জন্য বন্ধ হয়ে যায়। এরপরে এসব কাগজের মধ্য থেকে উলি্লখিত সংখ্যক সংবাদপত্র নিয়মিত এবং অনিয়মিতভাবে প্রকাশ করা হচ্ছে। কমপক্ষে ছয়টি জেলায় কোনো সংবাদপত্র আর প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি। সব মিলিয়ে এই জরিপে স্থানীয় সংবাদপত্র বন্ধে আর্থিক সংকটকে প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে বিআইজেএন।

জরিপে রংপুর, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট ও ঢাকা বিভাগের ৩৪টি জেলার ৪৫৬টি স্থানীয় দৈনিক এবং সাপ্তাহিক পত্রিকার উপরে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। মিডিয়াভুক্ত সংবাদপত্রগুলোর তালিকার ভিত্তিতে নয়, স্থানীয়ভাবে যেসব সংবাদপত্র করোনাকালের আগে প্রকাশিত হতো- সেগুলো জরিপের আওতায় আনা হয়।

জরিপের তথ্য সংগ্রহের সময়কাল ছিল ২৩ জুন থেকে ২ জুলাই পর্যন্ত। প্রাথমিকভাবে ‘উদ্দেশ্যভিত্তিক দৈবচয়ন নমুনায়ন’ (চঁৎঢ়ড়ংরাব জধহফড়স ঝধসঢ়ষরহম) পদ্ধতিতে জেলা নির্বাচন করা হয়। এখানে মূল নির্ণায়ক ছিল ঢাকা শহরের বাইরে স্থানীয় পত্রিকাগুলোকে গবেষণার আওতায় নিয়ে আসা। এরপরে দৈনিক এবং সাপ্তাহিক সংবাদপত্র নির্বাচন করা হয় প্রচার, পাঠকের কাছে পৌঁছানো এবং নিয়মিত প্রকাশের ধরণের ভিত্তিতে। স্থানীয়ভাবে প্রকাশিত সংবাদপত্রগুলো সম্পর্কে ধারণা নেওয়া ছিল এই জরিপের মূল লক্ষ্য। সংবাদপত্র বন্ধ হয়ে যাওয়ার প্রভাব ও প্রতিক্রিয়া বিষয়ে জানতে স্থানীয় পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ এবং সাধারণ মানুষ মিলিয়ে ২৮৭ জনের মতামত সংগ্রহ করে বিআইজেএন।

তাদের মধ্যে ৮৬.৪১ শতাংশ মনে করেন স্থানীয় পর্যায়ের সংবাদপত্র ওই স্থানের প্রাতিষ্ঠানিক এবং অপ্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে থেকে কখনো কখনো ব্যক্তি ও গোষ্ঠীপর্যায়ের দুর্নীতি, অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার, অতিব্যবহার, নানাবিধ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট আইন বহির্ভূত ও রাষ্ট্রীয় নিয়ম কানুন ভঙের খবর প্রচারের এক-একটি মাধ্যম ছিল। যদিও এতে ব্যাপক মাত্রায় প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক ব্যক্তি ও গোষ্ঠী পর্যায়ে নানাবিধ বাধা বিঘ্ন সৃষ্টির চেষ্টাও বিদ্যমান ছিল। কিন্তু, ওসব খবরগুলো কোনো না কোনোভাবে এক বা একাধিক সংবাদপত্রে প্রকাশিত হতো। এসব পত্রিকা চালু থাকলে করোনাকালে নানা খবরাখবর ও তথ্য প্রকাশিত হতো।

এদের কেউ কেউ মনে করেন, স্থানীয়রা খুব সহজে এসব সংবাদপত্র এবং সাংবাদিকদের কাছে যেতে পারতেন। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এসব খবর কোনো না কোনো স্থানীয় কাগজে ছাপা হতো।

কারো মতে, স্থানীয় কাগজে যে সব খবরাখবর পাওয়া যায় তার অধিকাংশই জাতীয় সংবাদমাধ্যমে স্থান পায় না। কিছু জাতীয় পত্রিকায় এই ধরনের খবরগুলো সামান্য ছাপা হলেও বিস্তারিত পাওয়া যায় না। ৮৬.৪১ শতাংশের একটি অংশ জানান, স্থানীয় প্রশাসন বা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং তাদের অনুসারীরা স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের কারণে কিছুটা হলেও চাপের মধ্যে থাকতো।

৮.৭২ শতাংশ আবার কিছুটা ভিন্ন মতামত দেন। তাদের মতে, এসব সংবাদপত্রের মাধ্যমে নানা ধরনের সাংবাদিকতা বহির্ভূত অপকর্ম করা হতো। সাংবাদিক নাম ভাঙিয়ে তারা নানা ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক পক্ষের সঙ্গে অবৈধভাবে যুক্ত ছিল।

এর বাইরে ৪.৮ শতাংশ অংশগ্রহণকারী সংবাদপত্র বন্ধ নিয়ে কোনো ধরণের মতামত জানাননি।

ওই জরিপে বিআইজেএন তাদের কিছু পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছে। এগুলো হলো- স্থানীয় পর্যায়ে বিশাল সংখ্যক সংবাদপত্র বন্ধ ও অনিয়মিত হওয়ার ফলে জনগণের সংবাদপ্রাপ্তির বিষয়টি মারাত্মকভাবে বিঘি্নত হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও স্থানীয় নানা পর্যায়ের প্রতিনিধিদের দায়িত্ব পালনের জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা ও ভারসাম্য বজায় রাখার বিষয়টি দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে, নানামাত্রিক কর্তৃত্বপরায়ণতা বৃদ্ধির ব্যাপক সম্ভাবনা আছে।

প্রশাসনের এবং রাষ্ট্রীয় কাঠামোর স্তরকেন্দ্রীক খবর প্রাপ্তির দূরত্ব বেড়েছে। তৃণমূলের সঙ্গে খবর প্রাপ্তিতে একক কেন্দ্রীকতার সৃষ্টি হতে পারে।

সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার এবং সামগ্রিকভাবে গণতান্ত্রিক কাঠামোর উপরে সংবাদপত্র বন্ধের কারণে একটি বড় মাত্রার দুর্বলতা দেখা দেবে।

সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং স্বাধীন মতামত প্রকাশের ক্রমাগত দুর্বলতা আরও সংকীর্ণ ও দুর্বল হয়ে পড়বে। যা পুরো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ও কাঠামোর জন্য একটি বড় ধরণের ক্ষতি।

স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও মুক্ত সংবাদমাধ্যমে পেশাদার সাংবাদিকতায় আগ্রহীদের সংখ্যা কমে যাবে।

সূত্র-ইন্টারনেট/এসএমবি

চুরির অপবাদে দুই শিশুকে গাছে বেঁধে নির্যাতন চা বাগানের পঞ্চায়েত নেতা আটক

0

সুবর্নবাংলা ডেস্ক-

মৌলভীবাজারে চুরির অপবাদে চা শ্রমিকের দুই শিশুকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন করা হয়েছে। এ ঘটনায় বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের কুরমা চা বাগান শাখার পঞ্চায়েত কমিটির সহসভাপতিকে আটক করেছে পুলিশ। গত শুক্রবার রাতে তাকে আটক করা হয়।

গতকাল শনিবার কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরিফুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। গত শুক্রবার মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার কুরমা চা বাগানের অফিসের সামনে দুই শিশুকে চুরির অভিযোগে গাছে বেঁধে নির্যাতন করা হয। এ সময় সেখানে এলাকার ইউপি সদস্যসহ পঞ্চায়েত কমিটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এসব নেতার ক্ষমতার ভয়ে ওই দুই শিশুকে রক্ষা করতে কেউ এগিয়ে আসেনি। নির্যাতনের শিকার জগৎ নুনিয়ার (১৩) মা সাবিত্রী নুনিয়া বলেন, বিনা অপরাধে তাদের বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে বেঁধে বেধড়ক পেটানো হয়েছে। এ সময় ইউপি সদস্য দীপেন সাহা, পঞ্চায়েতের সভাপতি নারদ পাশি, সহ-সভাপতি সাহাদত হোসেনসহ পঞ্চায়েত নেতারা তাদের পিটিয়েছেন।

অপর শিশু মুন্না পাশির (১২) মা গোপাল পাশি বলেন, আমার ছেলে ও জগৎ নুনিয়াকে চুরির অপবাদ দিয়ে মামুন নামে বাগানের এক কর্মচারী, পঞ্চায়েত নারদ পাশিসহ অন্যরা বাড়ি থেকে ডেকে নেয়। পরে তাদের বাগানের নাচ ঘরে বেঁধে মারধর করে। তাদের দুজনকে গাছের সঙ্গে ফ্যাক্টরির সামনে পেছনে হাত নিয়ে বেঁধে রাখে। তারা চুরি করেনি জানালেও তাদের বেধড়ক পেটায় পঞ্চায়েতের লোকজন। ভয়ে কেউ তাদের রক্ষা করতে আসেনি। প্রায় ৪ ঘণ্টা তাদের বেঁধে রাখা হয়। নির্যাতনকারীদের আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি করেছেন দুই শিশুর মা।

নির্যাতনের কথা অস্বীকার করে ইউপি সদস্য দীপেন সাহা বলেন, তাদের বেঁধে রাখা হয়েছিল। তবে, ম্যানেজারের কথায় তিনি ছাড়তে পারেননি।

মারধরের ঘটনা অস্বীকার করে চা বাগানের ম্যানেজার শফিকুর রহমান বলেন, তাদের বেঁধে রাখা হয়েছিল।

কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরিফুর রহমান বলেন, মোবাইল চুরির জন্য দুই শিশুকে আটক করা হয়।

এ ঘটনায় বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের কুরমা চা বাগান শাখার পঞ্চায়েত কমিটির সহ-সভাপতি সাহাদত হোসেনকে আটক করেছে পুলিশ। অন্যরা পলাতক আছেন।

সূত্র-ইন্টারনেট/এসএমবি

উজানের ঢল ও বন্যায় আমন উৎপাদন নিয়ে শঙ্কা বাড়ছে

0

সুবর্নবাংলা ডেস্ক-

করোনায় খাদ্য সঙ্কটে আশঙ্কা বিবেচনায় রেখে সরকার ধানের উৎপাদন বাড়াতে নানামুখী উদ্যোগ নিয়েছে। আমনেও সরকার লক্ষ্যমাত্রা ছড়িয়ে যাওয়ার আশাবাদী ছিল। কিন্তু দেশে বন্যার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় ওই আশা এখন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। বন্যার কারণে এবার আমন চাষ নিয়ে কৃষকরা শঙ্কিত হয়ে পড়েছে। আর বন্যা দীর্ঘতর হলে অনেক অঞ্চলে আমনের আবাদ ব্যাহত হবে। ইতিমধ্যে সিলেট অঞ্চলে উজানের ঢলে বিপুল পরিমাণ আমন বীজতলা তলিয়ে গেছে। পানি সরে যাওয়ার কৃষকরা নতুন করে বীজতলা তৈরি করতে চাচ্ছে। কিন্তু আবার উজানের ঢল আসে কিনা তাও নিশ্চিত নয়।

এমন পরিস্থিতিতে ওই অঞ্চলের কৃষকদের পক্ষে বার বার আমন বীজতলা করার সামর্থ্য থাকবে না। উত্তরাঞ্চলের কৃষকদের এমন ভাগ্য এখনো হয়নি। সেখানে এখনো পানির নিচে মাইলের পর মাইল জমি। অনেক কৃষকই মৌসুমের শুরু দিকেই বীজতলা করে ফেলেছিলেন। কিন্তু অতিবৃষ্টি ও উজানের ঢলে প্রায় পুরোটাই নষ্ট হয়ে গেছে। ভুক্তভোগী কৃষক এবং কৃষি বিভাগ সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, এবার দেশে ৫৯ লাখ হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। আর চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ হয়েছে এক কোটি ৫৬ লাখ টন। লক্ষ্য পূরণে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) থেকে ইতিমধ্যে সাড়ে ১৯ হাজার টন ধানের বীজ চাষিপর্যায়ে বিক্রির জন্য ২০ কোটি টাকা ভর্তুকি দেয়া হয়েছে। কিন্তু লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে উৎপাদনের আশার মধ্যেই বন্যার প্রকোপ বেড়ে চলেছে। আর বন্যা দীর্ঘতর হলে অনেক অঞ্চলে আমনের আবাদ ব্যাহত হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্যানুযায়ী উজানের ঢলে বড় নদীগুলোর পানি আরো বাড়বে। প্লাবিত হতে পারে নতুন নতুন এলাকা। প্রায় এক মাস এ বন্যার স্থায়ী হতে পারে। আর দেশের অন্তত অর্ধেক জেলায় বন্যার প্রভাব পড়তে পারে।

সূত্র জানায়, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মতে, মধ্য আগস্ট পর্যন্ত আমনের আবাদ করা যাবে। সেক্ষেত্রে ১৫ থেকে ২০ দিন বয়সী চারা রোপণ করতে হলে জুলাইয়ের মধ্যেই বীজতলা প্রস্তুত করতে হবে। ফলে চলতি মাসজুড়ে বন্যার এমন অবস্থা বিরাজ করলে বীজ লাগানোই হবে বড় চ্যালেঞ্জের বিষয়। আর বন্যার স্থায়িত্ব দীর্ঘ হলে জনদুর্ভোগের পাশাপাশি ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। ইতিমধ্যে আমনের অনেক বীজতলা তলিয়ে গেছে। তবে কৃষি বিভাগ সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এখন পর্যন্ত যে পরিস্থিতি তাতে ভয়ের কিছু নেই। কারণ বিভিন্ন এলাকায় উঁচু জমি লিজ নিয়ে বীজতলা তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। আর আগাম বন্যায় আমনের বীজতলায় তেমন প্রভাব পড়েনি। তবে বন্যা দীর্ঘতর হলে বিপদ বাড়বে। তখন বীজতলা করার সময় পাওয়া যাবে না।

এদিকে বিদ্যমান পরিস্থিতি প্রসঙ্গে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবদুল মুঈদ জানান, বন্যা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে নতুন একটি পরিকল্পনা নিয়ে রাখা হয়েছে। সেক্ষেত্রে মেশিনের মাধ্যমে চারা রোপণের অংশ হিসেবে বীজতলার ট্রে পদ্ধতির দিকে নজর দেয়া হবে। অবশ্য এ উদ্যোগ পরীক্ষামূলক হওয়ায় খুব বেশি সম্প্রসারিত হচ্ছে না। পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজনীয় উপজেলাগুলোর ক্ষেত্রে এ পদ্ধতি প্রয়োগ করা হবে। প্রতি বিঘা বীজতলার জন্য ২৫টি ট্রে দরকার হয়। প্রতি উপজেলার জন্য ১৫ থেকে ২০ বিঘা বীজতলা নির্মাণের মতো ট্রে সরবরাহ করার প্রস্তুতি রয়েছে। বন্যার পানি সরতে দেরি হলে জমিতে বাঁশের মাচা বানিয়ে ট্রেতে বীজতলা নির্মাণ করার নির্দেশনা দেয়া হবে। আশা করি সে রকম পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে না।

অন্যদিকে বন্যার জন্য আমন চাষ ব্যাহত হলে খাদ্য নিরাপত্তায় সরকারের জন্য বাড়তি চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে বলে মনে করছেন খাদ্য সচিব ড. নাজমানারা খানুম। চলমান বন্যা পরিস্থিতিতে আমনের জন্য বিপদ উল্লেখ করে তিনি জানান, চলমান বন্যা পরিস্থিতিতে আউশের খুব একটা ক্ষতি হচ্ছে না। তবে আমনের বীজতলার জন্য বড় ধরনের সংকট তৈরি হচ্ছে। আমন মার খেলে সরকারের জন্য বাড়তি চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে। এজন্য কৃষকদের বেশি বেশি সচেতন করা উচিত। তারা যেন উঁচু জমিতে বীজতলা তৈরি করেন। আর পরিস্থিতি খুব বেশি প্রতিকূলে থাকলে এ মুহূর্তে বীজতলা না করাই ভালো।

সূত্র- এন্টারনেট/এসএমবি

সেনবাগে ধর্ষণ মামলার আসামি বন্দুকযুদ্ধে নিহত

0

সুবর্নবাংলা ডেস্ক-

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে বন্দুক যুদ্ধে প্রতিবন্ধী গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি আকরাম হোসেন (২৫) নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে পুলিশ।

নিহত আকরাম একই উপজেলার অর্জুনতলা ইউনিয়নের উত্তর মানিকপুর গ্রামের গ্রামের আবদুল গফুরের ছেলে। গতকাল শনিবার ভোররাতের দিকে উপজেলার অর্জুনতলা ইউনিয়নের উত্তর মানিকপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ৩ পুলিশ সদস্য আহত হন। আহতরা হলেন, এএসআই লোকেন মহাজন, পুলিশ কনস্টেবল এমরান ও জিয়া। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি এলজি, ২ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করে।

সেনবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুল বাতেন মৃধা এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেনবাগের আলোচিত প্রতিবন্ধী ধর্ষণ মামলার আসামি আকরামকে গ্রেফতার করতে তিনি সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্সসহ অভিযান চালায়। এ সময় পুলিশ উপজেলার অর্জুনতলা ইউনিয়নের উত্তর মানিকপুর গ্রামে পৌঁছলে আকরাম ও তার সহযোগীরা অতর্কিতে পুলিশের ওপর গুলি ছোড়ে।

পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছুঁড়লে আকরামের সহযোগীরা পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আকরামকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি আরও জানান, আহত পুলিশ সদস্যরা সেনবাগ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

নিহতের লাশ ময়না তদন্তের জন্য নোয়খালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। গত ৬ জুন উপজেলার অর্জুনতলা গ্রামের এক প্রতিবন্ধী মেয়েকে আকরামসহ চারজন দিনে দুপুরে পার্শ্ববর্তী কবরস্থানে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করে। ১১ জুন সেনবাগ থানায় এই ঘটনায় একটি গণধর্ষণ মামলা হয়।

সূত্র-ইন্টারনেট/এসএমবি

পাচারের মাধ্যমে বছরে হাতিয়ে নিচ্ছে ৬০ হাজার কোটি টাকা

0

গরু-মহিষ আমদানি নিষিদ্ধসহ মাংস ব্যবসায়ীদের ৫ দাবি

সুবর্নবাংলা ডেস্ক-

দেশীয় পশু পালনের উন্নয়নের স্বার্থে ভারত ও মায়ানমার থেকে গরু, মহিষ ও মাংস আমদানি বন্ধ করতে হবে। ভারত ও মায়ানমার গরু পাচার করে প্রতিবছর ৬০ হাজার কোটি টাকা নিয়ে যাচ্ছে।

১০ ও ২০ হাজার কোটি টাকা কৃষিঋণ দিলে দেশের কৃষকরাই চরাঞ্চলে পশু পালন করে দেশের চাহিদা পূরণ করে বিদেশে রফতানি করে বছরে ৬০ থেকে ৮০ হাজার কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা আয় করতে পারবে। গতকাল শনিবার সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনে এক সাংবাদিক সম্মেলনে ভারত ও মায়ানমার থেকে গরু ও মহিষের মাংস আমদানি নিষিদ্ধ, কোরবানির কাঁচা চামড়ার মূল্য নির্ধারণসহ সরকারের কাছে পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছেন মাংস ব্যবসায়ীরা। বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতি ও ঢাকা মেট্রোপলিটন মাংস ব্যবসায়ী সমিতির যৌথ উদ্যোগে এ সাংবাদিক সম্মেলন করা হয়।

মাংস ব্যবসায়ীদের দাবিগুলো হলো-ভারত ও মায়ানমারের গরু, মহিষ, মাংস আমদানি নিষিদ্ধ করা। চামড়া শিল্পের সিইটিপি, রফতানির জন্য ছাড়পত্র দেয়া। গাবতলী গরুর হাটের অতিরিক্ত খাজনা আদায় বন্ধ করা। মাংস শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ এবং কোরবানির কাঁচা চামড়ার মূল্য নির্ধারণ করা।

বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতির মহাসচিব রবিউল ইসলাম তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, দেশীয় পশু পালনের উন্নয়নের স্বার্থে ভারত ও মায়ানমার থেকে গরু, মহিষ ও মাংস আমদানি বন্ধ করতে হবে। ভারত ও মায়ানমার গরু পাচার করে প্রতি বছর ৬০ হাজার কোটি টাকা নিয়ে যাচ্ছে। ১০ ও ২০ হাজার কোটি টাকা কৃষিঋণ দিলে দেশের কৃষকরাই চরাঞ্চলে পশু পালন করে আমাদের চাহিদা পূরণ করে বিদেশে রফতানি করে বছরে ৬০ থেকে ৮০ হাজার কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা আয় করতে পারবে।

তিনি বলেন, ভারত ও মায়ানমারের পশু পাচার বন্ধ না হলে দেশীয় পশু পালন উন্নয়ন ও সীমান্ত হত্যা বন্ধ করা যাবে না। সরকার, শিল্পপতি ব্যবসায়ী, সমাজের প্রতিষ্ঠিতরা যাকাতের অর্থ থেকে গরিব, কৃষক, বিধবা, বেকার যুব সমাজের মাঝে গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়ার বাচ্চা বিতরণ, পশু পালনে উৎসাহিত করতে পারেন। তাহলে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে আমরা ৩০০ টাকা কেজিতে মাংস খাবো। ইতোমধ্যে আমাদের সেনাবাহিনী স্বর্ণচরে পশু পালন প্রকল্প শুরু করেছে।

সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন-বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ফরিদ আহম্মেদ, মহাসচিব রবিউল আলম, ঢাকা মেট্রোপলিটন মাংস ব্যবসায়ী সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবদুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক শামিম আহম্মেদ কোরেশী, বাংলাদেশ পশুর বর্জ্য সংগ্রহকারী মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সোহেল আহম্মেদ, বাংলাদেশ ডেইরি ফার্ম মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শাহ ইমরান।

সাংবাদিক সম্মেলনে জানানো হয়, ভারত ও মায়ানমার থেকে গরু, মহিষ ও মাংস আমদানি বন্ধ করতে হবে। ভারত-মায়ানমার গরু পাচার করে প্রতি বছর ৬০ হাজার কোটি টাকা নিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের কৃষকদের কৃষিঋণের মাধ্যমে ১০-২০ হাজার কোটি টাকা দিয়ে চরাঞ্চলগুলো পশুপালনের আওতায় আনতে পারলে মাংস ও কোরবানি পশুর চাহিদা পূরণ করেও বিদেশে মাংস, হাড়, শিং, নাড়ি-ভুঁড়ি, চামড়া রফতানি করে ৬০ থেকে ৮০ হাজার কোটি টাকা আয় করা সম্ভব।

তারা বলেন, সরকার, শিল্পপতি ব্যবসায়ী, সমাজে প্রতিষ্ঠিতদের যাকাতের অর্থ থেকে গরিব, কৃষক, বিধবা, বেকার যুবসমাজের মাঝে গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া উপহার দিয়ে পশু পালনে উৎসাহিত করতে পারলে বিশ্বকে তাক লাকিয়ে ৩০০ টাকায় মাংস খেতে পারব।

সাংবাদিক সম্মেলনে আরও জানানো হয়, মাংস ব্যবসায়ী সমিতির মাধ্যমে মাংস শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ দিতে হবে। শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ হাতে কলমে দিতে পারলে রফতানিযোগ্য শত শত কোটি টাকার পশুর বর্জ্য রক্ষা করা যাবে। জবাইখানাভিত্তিক দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণশালা গঠন করতে হবে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে কোরবানির কাঁচা চামড়ার মূল্য নির্ধারণ করতে হবে।

সূত্র-ইন্টারনেট/এসএমবি

মায়ের কবরেই শায়িত হলেন সাহারা খাতুন

0

সুবর্নবাংলা ডেস্ক-

আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য এবং সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুনকে মায়ের কবরে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়েছে। গতকাল শনিবার শ্রদ্ধা জানানো শেষে বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে মায়ের কবরেই সমাহিত করা হয়।

দাফনের আগে রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে তার সহকারী সামরিক সচিব কর্নেল রাজু আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে তার সামরিক সচিব মেজর জেনারেল নকীব আহমেদ, আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় নেতারা, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম এবং বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

শনিবার সকাল ১০টা ৫১ মিনিটে বনানী কবরস্থানে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সাহারা খাতুনের মরদেহ বনানী কবরস্থানে পৌঁছায় । ১১টায় বনানী জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে সাহরা খাতুনের দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে মরহুমার বিদেহী আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে তার কফিনে শ্রদ্ধা জানানো হয়। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

এছাড়া আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম তার মরদেহের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এর আগে সাহারা খাতুন বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ৪০ মিনিটে থাইল্যান্ডের ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ সাহারা খাতুনকে উন্নত চিকিসার জন্য গত ৬ জুলাই এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে থাইল্যান্ডে নেয়া হয়।

সাহারা খাতুন ২০০৮ সালে ঢাকা-১৭ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এই আসনে তিনি পর পর তিনবার সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সরকার গঠন হলে তিনি দেশের প্রথম নারী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। এরপর ওই মন্ত্রিসভায় তার দফতর পরিবর্তন হলে তিনি ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান।

সূত্র-ইন্টারনেট/এসএমবি