1. admin@subornobangla.com : admin :
  2. biplob.rajgouri@gmail.com : Seikh Biplob : Seikh Biplob
  3. subornobanglabd@gmail.com : Editor : Ronty Chowdhury
  4. hkgouripur@gmail.com : Humayun : Humayun
শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ০৭:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
‘কাবিনে টাকা বৃদ্ধির লোভ দেখিয়ে ধর্ষণ’, কাজী গ্রেপ্তার কৃষকের মুখে সোনালী হাসি আমনে বাম্পার ফলন জঙ্গিবাদ-মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে ৫৩নং ওয়ার্ড যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিল গৌরীপুর পৌর নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী রন্টির মটরসাইকেল শোডাউন বণানী কবর স্থানে শহীদদের কবরে এমপি হাবিব হাসানের শ্রদ্ধা বণানী কবর স্থানে শহীদদের কবরে এমপি হাবিব হাসানের শ্রদ্ধা আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জোর পূর্বক জমিতে প্রবেশ, পুলিশের বাঁধার মুখে ধানা কাটা বন্ধ তুরাগে জঙ্গিবাদ- মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে যুবলীগের বিক্ষোভ ভালুকায় অগ্নিকান্ডে ১২ টি বসতঘর পুড়ে ছাই ভালুকায় বনবিভাগের জমিতে নির্মাণ হচ্ছে বহুতল ভবন

আমন উৎপাদনে ঘাটতির শঙ্কা মজুদ বাড়াতে চাল আমদানির চিন্তা

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২০
  • ৩৭ দেখা হয়েছে

বন্যায় নষ্ট হয়েছে ৮০ হাজার হেক্টর জমির ফসল * গত বছরের চেয়ে মজুদ কম ৫ লাখ ২৭ হাজার টন

সুবর্নবাংলা ডেস্ক-

আমন মৌসুমে দেশের ৫৯ লাখ হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ কোটি ৫৪ লাখ টন। কিন্তু কয়েক দফা বন্যায় ৩৭ জেলার ৭০ হাজার ৮২০ হেক্টর জমির আমন ও ৭ হাজার ৯১৮ হেক্টর বীজতলা নষ্ট হয়েছে। ফলে চলতি মৌসুমে আমনের উৎপাদনে ঘাটতির আশঙ্কা করছে সরকার।

বর্তমানে সরকারি গুদামে মজুদ রয়েছে ১১ লাখ ৫৯ হাজার টন। যা গত বছরের তুলনায় ৫ লাখ ২৭ হাজার টন কম। গত বছর একই সময়ে মজুদ ছিল ১৬ লাখ ৮৬ হাজার টন। আমনের উৎপাদন টার্গেট পূরণ না হলে খাদ্য মজুদ বাড়াতে ৫ থেকে ৬ লাখ টন চাল আমদানির চিন্তা করা হচ্ছে। তবে তা চূড়ান্ত হবে খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির বৈঠকে। খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্র জানায়, দেশের মোট ধান উৎপাদনের প্রায় ৩৬ শতাংশ আসে আমন থেকে। গত বছর সারা দেশে ৫৬ লাখ ২১ হাজার ৯৪৯ হেক্টর জমিতে আমনের চাষ হয়েছিল। উৎপাদন ছিল ১ কোটি ৪০ লাখ ৫৪ হাজার ৮৭২ টন। চলতি বছর ৫৯ লাখ হেক্টর জমিতে ১ কোটি ৫৪ লাখ টন উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়।

কিন্তু দীর্ঘস্থায়ী বন্যায় কৃষি খাত ব্যাপকভাবে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বন্যায় ধানসহ ১২ ধরনের ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মাঠে বোনা আমন, আউশ ধান ও রোপা আমন ধান ছিল। কয়েক দফা বন্যায় হাজার হাজার হেক্টর জমির আমন ডুবে যায়। একই সঙ্গে ডুবে যায় আমনের বীজতলাও।

১৯ আগস্ট এক সংবাদ সম্মেলনে কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক বলেন, ‘তিন দফার বন্যায় ৩৭ জেলায় সব মিলিয়ে ১৩২৩ কোটি টাকার ফসলের ক্ষতি হয়েছে। ২ লাখ ৫৭ হাজার ১৪৮ হেক্টর জমির ফসল বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। এর মধ্যে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৮১৪ হেক্টর জমির ফসলের ক্ষতি হয়েছে। ৩২ হাজার ২১৩ হেক্টর জমির ৩৩৪ কোটি টাকার আউশ ধান, ৭০ হাজার ৮২০ হেক্টর জমির ৩৮০ কোটি টাকার আমন ধান এবং ৭ হাজার ৯১৮ হেক্টর জমির আমন বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’

সূত্র জানায়, সাধারণত ভালো ফলন পেতে কৃষক আগস্টের মাঝামাঝি আমন রোপণ শেষ করে থাকেন। চলতি বছর জুলাইয়ে বন্যার কারণে অনেক কৃষক তাদের বীজতলাই তৈরি করতে পারেননি।

জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বালুগ্রামের কৃষক রফিকুল ইসলাম যুগান্তরকে জানান, এ বছর একটি বীজতলা তৈরি করলেও দ্বিতীয় দফার বন্যায় তা ডুবে যাওয়ায় আমন রোপণ করতে পারেননি।

শুধু তিনি নন, ওই এলাকার কৃষকরা কেউই আমন রোপণ করতে পারেননি। প্রায় একই ধরনের তথ্য দিলেন কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার যাদুরচরের কৃষক মনিরুল মিয়া। তিনি জানান, তিন বার আমন রোপণ করলেও বন্যায় নষ্ট হয়ে গেছে। এখন তিনি আমনের আশা ছেড়েই দিয়েছেন।

প্রায় অভিন্ন চিত্র জামালপুর, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, বগুড়াসহ বন্যাপ্রবণ জেলাগুলোর বিভিন্ন উপজেলায়।

ওদিকে চলতি বছর বোরো মৌসুমে সরকারিভাবে ধান-চাল সংগ্রহের টার্গেট অর্ধেকও পূরণ হয়নি। প্রায় ২০ লাখ টন সংগ্রহের টার্গেট নির্ধারণ করা হলেও হয়েছে কমবেশি সাড়ে ৯ লাখ টন। ফলে সরকারের খাদ্য মজুদও গত বছরের তুলনায় কমেছে।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ২১ অক্টোবরের হিসাব অনুযায়ী, সরকারি খাদ্য গুদামে এখন পর্যন্ত মজুদ রয়েছে ১১ লাখ ৫৯ হাজার টন। এর মধ্যে ৮ লাখ ৫৯ হাজার টন চাল এবং ৩ লাখ টন গম। গত বছরের একই সময়ে সরকারি গুদামে মজুদ ছিল ১৬ লাখ ৮৬ হাজার টন। এর মধ্যে চাল ছিল ১৩ লাখ ১৫ হাজার টন এবং গম ছিল ৩ লাখ ৭১ হাজার টন। সব মিলিয়ে গতবারের চেয়ে ৫ লাখ ২৭ হাজার টন খাদ্য মজুদ কম।

আমন উৎপাদনে ঘাটতির আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্বয়ং কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আবদুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, ‘চলতি বছর বন্যার কারণে আমনের উৎপাদনে ঘাটতি হতে পারে। তাই বোরো ধান আসার আগ পর্যন্ত চালের একটা ঘাটতি হতে পারে। এজন্য প্রয়োজনে চাল আমদানি করা হবে।’

১৫ অক্টোবর কৃষি মন্ত্রণালয়ে বিশ্ব খাদ্য দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ তথ্য জানান। মন্ত্রী বলেন, ‘আমি মনে করি, বাংলাদেশে খাদ্য ঘাটতি হলেও হাহাকার হবে না। যদি আমনের বেশি ঘাটতি হয়ে যায়- তাহলে চাল আমদানি করতে হতে পারে। প্রধানমন্ত্রী এজন্য সীমিত পরিসরে চাল আমদানির জন্য নীতিগত অনুমোদন দিয়েছেন। সেখানে হয়তো ৫ থেকে ৬ লাখ টন চাল আনা লাগতে পারে।’

আমনে ক্ষতির কারণ ব্যাখ্যা করে কৃষিমন্ত্রী বলেন, আগাম বন্যার কারণে আউশের কিছুটা ক্ষতি হয়েছে। আমাদের জন্য সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির কারণ বা অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছি সেটা হল আমন। কারণ দীর্ঘ সময়ের বন্যার জন্য নিচু এলাকাতে আমন চাষ করা যায়নি। শেষের দিকে কিছু আমন ধান লাগালেও হঠাৎ আশ্বিন মাসের বন্যায় তা নষ্ট হয়ে গেছে। কাজেই আমনের উৎপাদন নিয়েও আমাদের মধ্যে একটা অনিশ্চয়তা আছে। সবকিছু স্বাভাবিক থাকলে উঁচু জমিগুলোতে আমন ভালো হবে।

এ পরিস্থিতিতে যদি কিছু ঘাটতিও হয় আমি মনে করি না- বাংলাদেশে কোনো হাহাকার পড়বে। যে পরিমাণ খাদ্য আছে তা দিয়ে সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির মাধ্যমে কম ও বিনামূল্যে সাধারণ দরিদ্র মানুষের মাঝে চাল বিতরণ করা হবে।

সূত্র-ইন্টারনেট/এসএমবি

সোস্যাল মিডিয়াতে আমাদের খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় অন্যান্য খবর
© All rights reserved © 2020 SuborboBangla
Theme Download From ThemesBazar.Com