1. admin@subornobangla.com : admin :
  2. biplob.rajgouri@gmail.com : Seikh Biplob : Seikh Biplob
  3. subornobanglabd@gmail.com : Editor : Ronty Chowdhury
  4. hkgouripur@gmail.com : Humayun : Humayun
শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
‘কাবিনে টাকা বৃদ্ধির লোভ দেখিয়ে ধর্ষণ’, কাজী গ্রেপ্তার কৃষকের মুখে সোনালী হাসি আমনে বাম্পার ফলন জঙ্গিবাদ-মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে ৫৩নং ওয়ার্ড যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিল গৌরীপুর পৌর নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী রন্টির মটরসাইকেল শোডাউন বণানী কবর স্থানে শহীদদের কবরে এমপি হাবিব হাসানের শ্রদ্ধা বণানী কবর স্থানে শহীদদের কবরে এমপি হাবিব হাসানের শ্রদ্ধা আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জোর পূর্বক জমিতে প্রবেশ, পুলিশের বাঁধার মুখে ধানা কাটা বন্ধ তুরাগে জঙ্গিবাদ- মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে যুবলীগের বিক্ষোভ ভালুকায় অগ্নিকান্ডে ১২ টি বসতঘর পুড়ে ছাই ভালুকায় বনবিভাগের জমিতে নির্মাণ হচ্ছে বহুতল ভবন

বানেশ্বর হাটে ওজনে ঢলনপ্রথা বাতিল, খুশি কৃষকরা

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২০
  • ৩১ দেখা হয়েছে

সুবর্নবাংলা ডেস্ক-

দেশের উত্তরাঞ্চলের মধ্যে কৃষি ফসলের একটি বড় ব্যবসাকেন্দ্র রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর হাট। এখান থেকে সারাদেশে কৃষিপণ্য যায়। এই বাজারে বেচা-কেনাই চলতো নিজস্ব ওজনরীতি। দেশে অনেকদিন আগে থেকে মেট্রিক পদ্ধতি চালু থাকলেও সের মণের পণ্য পরিমাপ হতো। 

এছাড়াও সারা দেশে ৪০ কেজিতে মণ ধরা হলেও বানেশ্বর হাট বাজারে নিয়ম বহির্ভূত ভাবে কৃষিপণ্য নেওয়া হত ওজনে অনেক বেশি। আমের মণ ধরা হতো ৪৮ কেজিতে, পাইকারি মাছের বাজারে নেওয়া হয় ৪৬ কেজিতে মণ। পেঁয়াজ, রসুন ও খেজুরের গুড় মণ ৪২ কেজিতে।

এই বাজারের ব্যবসায়ীরা এক মণের দামে ৪০ কেজির ওপরে যেটুকু বেশি নেন, তার নাম দিয়েছেন ‘ঢলন’। বাজারের রীতি অনুযায়ী, কৃষক ‘ঢলন’ দিতে বাধ্য থাকেন। গত ২৪ অক্টোবর শুক্রবার স্থানীয় প্রশাসন এক আলোচনায় ব্যবসায়ীদের এই ‘ঢলনপ্রথা’ বাতিল করেছেন। ফলে এই বাজারে আর কোন কৃষি ও কৃষিজাত পণ্য ৪০ কেজির উপরে মণ হবে না। ৪০ কেজিতে মণ পেয়ে খুশি কৃষক। 

ব্যবসায়ীরা এত দিন কৃষকদের বুঝিয়েছিলেন কৃষিপণ্যের ওজন পরে কমে যায়। সে কারণে এই ‘ঢলন’ দিতেই হবে। এভাবে বানেশ্বর বাজারে দীর্ঘদিন ধরে এই ঢলনপ্রথা চালু আছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিলেন চাষিরা।

তাই সদ্য যোগদানকৃত ইউএনও নুরুল হাই মোহাম্মদ আনাছ ওজনে অনিয়মের অভিযোগ পেয়েই ৪০ কেজিতে মণ নিয়ম কার্যকর শুরু করেছেন এবং উপজেলার সকল হাট বাজারে মাইকিন করে জানিয়ে দেন যেন ডিজিটালে ওজন ও ৪০ কেজিতে মণ নেওয়া হয়। এ নিয়ম কোন ব্যবসায়ী বা আড়তদার অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানানো হয়।

বানেশ্বর হাটে পেঁয়াজ বিক্রয় করতে আসা কৃষক আব্দুল আলিম বলেন, বানেশ্বর হাটে দীর্ঘদিন ধরে পেঁয়াজ, রসুন ও খেজুরের গুড় ৪২ কেজিতে মণ নেওয়া হয়। আমের সময় ৪৮ কেজিতে মণ, মাছের ওজন ৪৬ কেজিতে মণ তার উপর আবার ব্যবসায়ীরা সমিতি করে কেজিতে ২ টাকা কম দিয়ে থাকে। এতে কৃষক কষ্ট করে ফসল উৎপাদন করেও ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের কারণে নায্য মূল্য ও ওজন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

কৃষক আবুল হোসেন বলেন, আমরা এতদিন সব মাল ৪২ কেজিতে মণ হিসাবে বিক্রি করেছি। অনেক সময় অনেক ইউএনও এই নিয়ম ভাঙ্গার চেষ্টা করেছে কিন্তু পারেনি। নতুন এই ইউএনও স্যার যোগদান করেই গত শনিবার হাটে ৪০ কেজিতে মণ ধরে পেঁয়াজ বিক্রি করলাম। এই স্যার কৃষকের দুঃখ কষ্টের কথা ভাবে বলে এই কৃষক জানান।

এ ব্যাপারে পুঠিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার নুরুল হাই মোহাম্মদ আনাছ জানান, এক দেশে দুই নিয়ম হতে পারে না। সব জায়গায় ৪০ কেজিতে মণ। শুধু এই পুঠিয়ার নিয়ম আলাদা কৃষিপণ্য ৪২ থেকে ৪৮ কেজিতে মণ। তাই আমরা ২৪ অক্টোবর এমপি মহাদয় ও উপজেলা চেয়ারম্যানসহ ব্যবসায়ী ও কৃষকদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে এনালগ প্রথা বাদ দিয়ে ডিজিটালে ওজন এবং ৪০ কেজিতে মণ নিয়ম কার্যকর করেছি। যা গত শনিবার থেকে শুরু হয়েছে। এই নিয়ম বহাল থাকবে যদি কেউ ওজনে বেশি নেওয়ার চেষ্টা করে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সূত্র-ইন্টারনেট/এসএমবি

সোস্যাল মিডিয়াতে আমাদের খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় অন্যান্য খবর
© All rights reserved © 2020 SuborboBangla
Theme Download From ThemesBazar.Com