1. admin@subornobangla.com : admin :
  2. biplob.rajgouri@gmail.com : Seikh Biplob : Seikh Biplob
  3. subornobanglabd@gmail.com : Editor : Ronty Chowdhury
  4. hkgouripur@gmail.com : Humayun : Humayun
শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ১০:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
‘কাবিনে টাকা বৃদ্ধির লোভ দেখিয়ে ধর্ষণ’, কাজী গ্রেপ্তার কৃষকের মুখে সোনালী হাসি আমনে বাম্পার ফলন জঙ্গিবাদ-মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে ৫৩নং ওয়ার্ড যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিল গৌরীপুর পৌর নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী রন্টির মটরসাইকেল শোডাউন বণানী কবর স্থানে শহীদদের কবরে এমপি হাবিব হাসানের শ্রদ্ধা বণানী কবর স্থানে শহীদদের কবরে এমপি হাবিব হাসানের শ্রদ্ধা আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জোর পূর্বক জমিতে প্রবেশ, পুলিশের বাঁধার মুখে ধানা কাটা বন্ধ তুরাগে জঙ্গিবাদ- মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে যুবলীগের বিক্ষোভ ভালুকায় অগ্নিকান্ডে ১২ টি বসতঘর পুড়ে ছাই ভালুকায় বনবিভাগের জমিতে নির্মাণ হচ্ছে বহুতল ভবন

হারিয়ে যাচ্ছে প্রকৃতির পরমবন্ধু বাঁশঝাড়

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২০
  • ১৯ দেখা হয়েছে

সুবর্নবাংলা ডেস্ক-

দিনাজপুরসহ উত্তরাঞ্চলে প্রকৃতির দুর্যোগ প্রতিরোধী ও পরিবেশের পরমবন্ধু বাঁশঝাড় হারিয়ে যাচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা এবং জীববৈচিত্র ধ্বংস হওয়া রোধে সহায়ক এই বাঁশঝাড় এখন প্রায় বিলুপ্তির পথে। বাঁশের অভাবে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্য কুটির শিল্পও। এ শিল্পের সাথে জড়িতরা এখন মানবেতর জীবনযাপন করছে।

গ্রামীণ জনপদে বাঁশঝাড় নেই একসময় এমনটা কল্পনাও করা যেতো না। যেখানে গ্রাম সেখানে বাঁশঝাড় এমনটিই ছিল স্বাভাবিক। বাড়ির পাশে বাঁশঝাড়ের ঐতিহ্য গ্রাম বাংলার চিরায়ত রূপ। বিশ্বে প্রায় দেড় হাজার প্রজাতির বাঁশ রয়েছে। বাংলাদেশে জন্মে জংলি ও আবাদি প্রকৃতির ২৬ প্রজাতির বাঁশ। তবে বনাঞ্চলের বাইরেও এখন যেভাবে গ্রামীণ বৃক্ষরাজি উজাড় হচ্ছে, তাতে হারিয়ে যাচ্ছে প্রকৃতির পরমবন্ধু এই বাঁশঝাড়।

উদ্ভিদবিদ মোসাদ্দেক হোসেন জানান, বাঁশ ফাঁপা কান্ড বিশিষ্ট একটি ঘাসজাতীয় উদ্ভিদ। বাঁশের বিস্তৃতি অতি ব্যাপক। পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই কম-বেশি বাঁশ জন্মায়। এ দেশের বিশেষ করে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর নিকট বাঁশের গুরুত্ব অনেক। গৃহ নির্মাণ, মঞ্চ নির্মাণ, মই, মাদুর, ঝুড়ি, ফাঁদ, হস্তশিল্পসহ নিত্যদিনের ব্যবহার্য বিবিধ জিনিসপত্র তৈরির কাজে বাঁশের বহুল ব্যবহার রয়েছে। প্রকৃতপক্ষে বাঙালির জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত বাঁশের ব্যবহার রয়েছে। জন্মের পর বাঁশের চাঁছি দিয়ে নাড়ি কাটা হয়। তারপর বাঁশের তৈরি দোলনায় দোল খায় বাঙালি শিশুরা। মৃত্যু’র পর বাঁশের খাটিয়ায় তুলে বাঙালি শেষযাত্রা করে। কবরের উপরে বাঁশ বিছিয়ে তারপর মাটি দেওয়া হয়। বাঙালির দোলনাও বাঁশের, সমাধিও বাঁশের।

বাঁশসহ বৃক্ষ নিধনের ফলে দৈনন্দিন জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হচ্ছে। অথচ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা এবং জীববৈচিত্র ধ্বংস হওয়া রোধে সহায়তা করতে পারে এই বাঁশ গাছই। বাঁশ গাছ অন্য যে কোন গাছের তুলনায় দ্রুত গতিতে ক্ষতিকর কার্বন গ্যাস শুষে নিতে সক্ষম এবং এর শিকড় মাটি ক্ষয়ে যাওয়া রোধ করতে পারে। জেলার জনজীবন থেকে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্যবাহী বাঁশ শিল্প। এক সময় এ গ্রামীণ জনপদে তৈরি হতো হাজারো বাঁশের পণ্য সামগ্রী। ঘরের কাছের ঝাড় থেকে তরতাজা বাঁশ কেটে গৃহিণীরা তৈরি করতেন হরেক রকম জিনিস। অনেকে এ দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতো। কিন্তু বাঁশের অভাবে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামগঞ্জের ঐতিহ্য কুটির শিল্প।

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন মোতাবেলায় এই বাঁশঝাড় টিকিয়ে রাখার তাগিদ দিচ্ছেন পরিবেশবিদ ও প্রকৃতি প্রেমীরা।

সুত্র-ইন্টারনেট/এসএমবি

সোস্যাল মিডিয়াতে আমাদের খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় অন্যান্য খবর
© All rights reserved © 2020 SuborboBangla
Theme Download From ThemesBazar.Com