8.3 C
New York
Sunday, July 12, 2020
Home Blog Page 174

ফুলপুরে পরীক্ষামূলক চায়না তরমুজ চাষ পরিদর্শনে মহাপরিচালক ড. মো. আব্দুল মুঈদ

0

মোঃ কামরুল ইসলাম খান ফুলপুর প্রতিনিধি   

ময়মনসিংহের ফুলপুরে পরীক্ষামূলকভাবে চায়না তরমুজের চাষ শুরু হয়েছে। বাংলাদেশে এ তরমুজের বেশ চাহিদা রয়েছে। উপজেলার সিংহেশ্বর ইউনিয়নের কৃষক রমজান আলীর বাড়ি সংলগ্ন ৩০ বিঘা জমি ভাড়ায় নিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে প্রজেক্টের মালিক মিস্টার উ ২০১৯ সনের ১৬ নভেম্বর ‘চায়নিজ তরমুজ প্রজেক্ট’র শুভ উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পরিচালক মো. আসাদুল্লাহ, ফুলপুর উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউল করিম রাসেল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সাড়া জাগানো এ প্রজেক্টের সার্বিক উন্নয়ন দেখতে শুক্রবার সন্ধ্যায় পরিদর্শনে গিয়েছিলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আব্দুল মুঈদ। তিনি প্রজেক্ট পরিচালক মিস্টার উ, জেনারেল ম্যানেজার হোসাইন, মিস্টার শানঝং ও মিস্টার ডিংঝংয়ের সাথে কথা বলেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় করে প্রজেক্টের কাজ ঘুরে ঘুরে দেখেন। এ সময় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পরিচালক মো. আসাদুল্লাহ, ফুলপুর উপজেলা কৃষি অফিসার মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। ড. মো. আব্দুল মুঈদ বলেন, উনাদের সাথে কথা বলে জানতে পারলাম, আধুনিক তরমুজ চাষের জন্য গ্রীণ হাউজের প্রয়োজন পড়ে। তাই এখানে ১৬৮টি গ্রীণ হাউজের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া আরো ৮৪টি প্লটে এই তরমুজ চাষ শুরু করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫টি শেডে তরমুজের ফলন এসেছে। আগামী মাস দুয়েকের মধ্যে এসব তরমুজ বাজারজাত করা যাবে। চীন দেশীয় ২ ধরনের ও ২ ধরনের চায়নিজ হাইব্রিড তরমুজ এখানে চাষ করা হয়েছে। প্রজেক্টটি সফল হলে আমরা তাদের প্রযুক্তিটি কাজে ।  

এছাড়া তারা চাইলে প্রজেক্ট বাস্তবায়নে আমাদের যে কোন সহযোগিতা থাকবে। প্রজেক্টের মালিক মিস্টার উ বলেন, বাংলাদেশে চায়নিজ তরমুজের প্রচুর চাহিদা রয়েছে বিধায় এখানে পরীক্ষামূলকভাবে এক্সপার্টদের দিয়ে আমরা এ কাজ শুরু করেছি। ইতোমধ্যে প্রায় এক কোটি টাকা খরচ হয়ে গেছে।  প্রজেক্টের জেনারেল ম্যানেজার হোসাইন বলেন, আমাদের এ উদ্যোগ যদি সফল হয় তাহলে কৃষিতে বাংলাদেশে আরো বড় ধরনের ইনভেস্টমেন্ট হতে পারে । জানা যায়, হোসাইনের বাড়ি নোয়াখালী। তিনি ৫ বছর চীনে ছিলেন। বছর দেড়েক আগে দেশে এসে এই প্রজেক্টের সাথে যৌথ উদ্যোগে কাজ শুরু করেন। এ প্রজেক্টের জন্য ফুলপুরকে বেছে নেওয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি জানান, মিস্টার উ’র থ্রী হুইলারের ব্যবসা আছে। ফুলপুর আল হুমায়রা (রা.) মহিলা মাদরাসা সংলগ্ন তালতলা মোড়স্থ পনির মটর্সের মালিক পরাগ খান মিস্টার উ’র ইউপি থ্রীসি কোম্পানীর  ফুলপুরস্থ ডিলার। সে সবাদে এখানে তার যাতায়াত রয়েছে। চায়নিজ তরমুজ প্রজেক্টের জন্য মিস্টার উ তার নিকট জমির সন্ধান চাইলে পরাগ তাকে সিংহেশ্বর নিয়ে যান। এক প্রশ্নের উত্তরে মিস্টার উ বলেন, করোনা ভাইরাস দেখা দেওয়ার আগেই আমরা বাংলাদেশে এসেছি। তারা এখন সিংহেশ্বরেই থাকেন। আশা করা হচ্ছে, এ প্রজেক্ট সফল হলে এ থেকে দ্বিগুণ মুনাফা আসবে। ইহাকে কেন্দ্র করে হিমাগার প্রতিষ্ঠাসহ ফুলপুর কৃষিতে ঘটবে বিপ্লব।

 

                                                                                                                                           

ভাষা সৈনিক শামসুল হককে একুশে পদকে ভূষিত করার দাবি ফুলপুর-তারাকান্দা বাসীর

0

তৌকির আহমেদ শাহীন,তারাকান্দা(ময়মনসিংহ) 

 তারাকান্দা উপজেলার কৃতিসন্তান  ভাষা সৈনিক শামসুল হক। তাকে ছাড়া হয়তো বাংলাদেশের ইতিহাস লেখা অসম্ভব। কারণ তিনি শুধু মুক্তিযুদ্ধা ছিলেন না, তিনি ছিলেন ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন, মহান ভাষা আন্দোলন এবং মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম নায়ক। ১৯৩০ সালের ৩০ জানুয়ারি ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দা থানার কামারিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন, বাংলার এই সূর্যসন্তান ভাষাসৈনিক শামসুল হক। ১৯৪৬ সালে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের অংশ হিসেবে ময়মনসিংহ শহরে মিছিল শেষে  জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি পালনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এবং ঐ মিছিলে শামসুল হকের পাশে থাকা তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু অমলেন্দু বাবু পুলিশের গুলিতে শহীদ হন। পরবর্তীতে ৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের অংশ হিসেবে ময়মনসিংহ শহরে বিশাল মিছিল নিয়ে বের হওয়ায় তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের হাতে গ্রেফতার হন এবং কারাবরণ করেন। কেন্দ্রীয় ছাত্র-সংগ্রাম পরিষদের আন্দোলন কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিভিন্নস্কুল-কলেজে মিছিল-মিটিং, পথসভা, পোস্টারিং, লিফলেট বিতরণসহ নানামুখী আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। ভাষা সৈনিক শামসুল হক কখনো পায়ে হেঁটে, কখনো বা গরুর গাড়িতে চড়ে অতিকষ্টে গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ভাষা আন্দোলনের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করেন। ময়মনসিংহে প্রথম শহীদ মিনার নির্মাণে ভাষা সৈনিক শামসুল হক সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রচারণা এবং ১৯৬২ সালে হামিদুর রহমান শিক্ষা কমিশনের রিপোর্ট বাতিলের দাবিতে রাজপথে আন্দোলন গড়ে তুলেন। ঐতিহাসিক ৬ ও ১১ দফা আন্দোলন, ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান এবং ১৯৭০ সালের প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারত থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে সংগঠকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৭১ সালের ২ মার্চ  সকাল ১০:০০টায় ময়মনসিংহের টাউন হল চত্বরে পাকিস্তানের পতাকা পোড়ানো এবং বাংলাদেশের নকশা খচিত পতাকা উত্তোলন আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। ১৯৭৩ সালে জাতীয় নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭৫ সালের ১৫আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের পর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তথা ময়মনসিংহের জেলা আওয়ামী লীগকে সুসংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ন অবদান রাখেন। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন ও গণতন্ত্র রক্ষায় বারবার রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন। তিনি ১৯৭০,১৯৭৩,১৯৮৬,১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে সংসদ সদস্য এবং ১৯৮৯ সালে ২য় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ফুলপুর উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালে পাট মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির সভাপতি ছিলেন। ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগ ও ময়মনসিংহ জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতির দায়িত্ব সফলতার সাথে পালন করেন। তিনি বিভিন্ন স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সংগঠক এর গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেন। তৃণমূল আওয়ামীলীগের পরম বন্ধু শামসুল হককে অনেকেই ‘শামছু ভাই’ বলে ডাকতেন। বঙ্গবন্ধুর রেখে যাওয়া আদর্শ বাস্তবায়নে সাধারণ জনগণের জন্য নিবেদিত প্রাণ হয়ে আজীবন কাজ করে গেছেন। বাংলাদেশের ইতিহাস ও পরবর্তী রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা আদর্শিক এই নেতার একুশে পদকে ভূষিত করার দাবি জানিয়েছেন নেতাকর্মীরা। ২০০০ সালে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসন কর্তৃক “ভাষাসৈনিক পদক” তুলে দিয়েছিলেন তৎকালীন প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম কিন্তু পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে একুশে পদকে ভূষিত করার দাবি উঠলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি।
এ বিষয়ে ভাষা সৈনিক শামসুল হকের ঘনিষ্ঠ সহচর, তারাকান্দা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক   আলহাজ্ব বাবুল মিয়া সরকার জানান, আমরা বঙ্গবন্ধুকে দেখিনি কিন্তু বঙ্গবন্ধুর আদর্শে আদর্শবান একজন নেতা শামসুল হককে দেখেছি। তিনি আমাদের বঙ্গবন্ধুর বিভিন্ন গল্প শোনাতেন এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নে বিভিন্ন দিক নির্দেশনা দিতেন। তিনি মহান ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার পর সফল রাজনৈতিক জীবন অতিবাহিত করেন তাই উনাকে একুশে পদকে ভূষিত করার জন্য বর্তমান সরকারের কাছে বিশেষ দাবী জানাচ্ছি।

তারাকান্দা থানা পরিবহণ শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন সম্পন্ন।

0

তৌকির আহমেদ শাহীন, তারাকান্দা (ময়মনসিংহ)  প্রতিনিধি ৷

ময়মনসিংহ জেলা মোটরযান কর্মচারী ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত (রেজিঃ নং -৪৬৯)তারাকান্দা থানা পরিবহণ  শ্রমিক ইউনিয়ন এর নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে। দীর্ঘদিনের প্রচার প্রচারণা শেষ করে শ্রমিকরা মহানন্দে এই ভোট কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে, সকাল ৯টা থেকে নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু হয়ে বিকেল চারটা পর্যন্ত বিরতিহীন ভাবে অনুষ্ঠিত হয়, এবারের নির্বাচনের আকর্ষণীয় দিক ছিল, সমর্থকদের বাস্তব   প্রতিক নিয়ে ভোটকেন্দ্রে  দাঁড়িয়ে প্রচার প্রচারণা এবং ভূ ভূ জেল বাঁশিওয়ালাদের বাঁশির দৌরাত্ম্য। বহুকাঙ্খিত  শ্রমজীবীদের এ নির্বাচন দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে লোকজন শ্রমিক অফিসে জমায়েত হয়, উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করতে আসেন।নির্বাচন  পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন ময়মনসিংহ জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীগণ কে একটি ঘরে আবদ্ধ করে রাখা হয়, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার জন্য। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের এজেন্টদেরকে নির্বাচনীয় সকল দায়িত্ব পালন করার সমান সুযোগ দেওয়া হয়,সকল প্রার্থীদের এবং তাদের নিয়োজিত এজেন্টগনের  সাথে আলাপ করে এই নির্বাচনে কোন প্রকার অস্বচ্ছতা খুঁজে পাওয়া যায়নি, সুষ্ঠু অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে বলে দাবি করেন সকলেই। ময়মনসিংহ জেলার মোটরযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তিনি ফলাফল শেষে সকলকে সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এ নির্বাচনে যারা জয়লাভ করেছেন,সভাপতি মোঃ মোতালেব মিয়া, দোয়াত কলম-২০৮ ভোট। কার্যকরী সভাপতি মো নজরুল ইসলাম , বাঘ-১৬০ ভোট। সহ-সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম, টেলিভিশন -২২৭ ভোট। সম্পাদক মোঃ আব্দুস ছালাম মিয়া, মিনার -২১৬ভোট।যুগ্ম-সম্পাদক মোঃ ওমর ফারুক রতন, লাঠিম- ১৮৪ ভোট।সহ-সম্পাদক মোঃ নূরুল ইসলাম, হরিণ-২২১ ভোট। সাংগঠনিক সম্পাদক হারুন অর রশিদ, সিলিং ফ্যান -১৬২ ভোট।প্রচার সম্পাদক মোঃ ফখরুল ইসলাম, বালতি-১৪৩ভোট।কোষাদক্ষ্য শ্রী কর্পুল সরকার, ডাব-১৯৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।দপ্তর সম্পাদক হিসেবে মোঃ বজলুর রহমান  টিয়াপাখি মার্কা নিয়ে বিনা প্রতিদ্বন্দিতায়  নির্বাচিত হয়েছেন।
নির্বাচন শেষে এক বিশাল আনন্দ  মিছিল তারাকান্দার বিভিন্ন রাস্তাঘাট প্রদক্ষিণ করে। নবনির্বাচিত বিজয়ী নেতৃবৃন্দ সকলকে সাথে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। উল্লেখ্য যে, মোট বৈধ ভোটার ছিলো ৪৪৭ জন ভোট প্রয়োগ করেন ৪০৩ জন।

ময়মনসিংহের ৫০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প উৎপাদন শুরু হওয়ার আশা এপ্রিলেই !

0

সুবর্ণবাংলা ডেস্ক

ময়মনসিংহের সুতিয়াখালীতে ব্রহ্মপুত্র নদের তীর ঘেঁষে ৫০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার পথে। আগামী তিন মাসের মধ্যেই বিদ্যুৎ উৎপাদনে যাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। উৎপাদন শুরু হলে তা ময়মনসিংহ শহরের কেওয়াটখালী জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশের বিদ্যুৎ খাত যেমন শক্তিশালী হবে, তেমনি সুফল পাবেন ময়মনসিংহের মানুষ। বিশেষ করে সেখানে নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিশেষ করে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে সদর উপজেলার সুতিয়াখালীতে ৫০ মেঘাওয়াট এই বিদ্যুেকন্দ্র নির্মাণের কাজ শুরু হয় ২০১৭ সালে। প্রশাসনিকভাবে প্রকল্প স্থানটি গৌরীপুর উপজেলার ভাংনামারী ইউনিয়নে অবস্থিত। বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের যৌথ প্রতিষ্ঠান এইচডিএফসি সিন-পাওয়ার লিমিটেড প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কাজ করছে। তদারকিতে আছে বাংলাদেশ সরকার।

বর্তমানে প্রকল্পের ৮৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। আগামী জুন মাসের মধ্যে প্রকল্পের পুরো কাজ শেষ করার কথা। কিন্তু এর আগেই কাজ শেষ হবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা করছেন।

এখানকার ৫০ মেঘাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত হবে ময়মনসিংহ শহরের কেওয়াটখালীস্থ জাতীয় গ্রিডে। প্রকল্প স্থান থেকে জাতীয় গ্রিডের দূরত্ব প্রায় পাঁচ কিলোমিটার। এর মধ্যে এক কিলোমিটার যাবে টাওয়ারের মাধ্যমে। বাকি চার কিলোমিটার যাবে মাটির নিচ দিয়ে। ট্রান্সমিশন লাইন নির্মাণের কাজও দ্রুত এগিয়ে চলছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রকৌশলীদের সঙ্গে আছেন বিদেশি প্রকৌশলীরাও।

এইচডিএফসি সিন-পাওয়ার লিমিটেডের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন শেখ মো. শফিকুল ইসলাম পিএসসি (অব.) জানান, সরকারের সব নিয়মনীতি মেনে এই কাজ চলছে। পরিবেশবান্ধব এই বিদ্যুৎ প্রকল্পে দু-তিন মাসের মধ্যে উৎপাদন শুরু হবে। প্রকল্পটির কারণে স্থানীয়ভাবে অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে স্থানীয় শতাধিক ব্যক্তি এখানে কাজ করছে। তিনি জানান, বাংলাদেশে চলমান সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোর মধ্যে এটি সবচেয়ে বড়।

সরকারের পক্ষ থেকে প্রকল্প পরিচালক হিসেবে আছেন ময়মনসিংহ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (দক্ষিণ) নির্বাহী প্রকৌশলী ইন্দ্রজিত দেবনাথ। তিনি বলেন, ‘বেসরকারি বিনিয়োগ ও সরকারি তদারকিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।’

বিয়ে নিয়ে আনন্দের বন্যা জমজ ২ ভাইয়ের সাথে জমজ ২ বোনের বিয়ে

0

মোঃ কামরুল ইসলাম খান ফুলপুর প্রতিনিধি 

ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দা উপজেলার অন্তর্গত ৩ নং ইউনিয়নের কাকনী গ্রামের রেজাউল করিম হাদী সরকারের জমজ ২ ছেলে লিমন সরকার ও রিপন সরকার। ছোটকাল হতেই হাদী সরকার ও তার স্ত্রীর ইচ্ছে ছেলেদের একসাথে একদিনে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে গাঁয়ে হলুদ বিয়ে আর বৌভাত অনুষ্ঠান করবেন।তবে একসাথে যে জমজ মেয়ে পাবেন তেমনটা ভেবেন নি। ভাগ্য সুপ্রসন্ন হলে যা হয়, পেয়ে গেলেন জমজ ২ বোনকে। মেয়ের বাবাও এমন কথা শুনে আনন্দে আত্মহারা, সে বলে আমিও এমনটা ভেবেছি কিন্তু কি করে পাবো! যাক আল্লাহ আমার ২ মেয়ে তৃণা আর তৃষার জন্য আপনার ছেলেদের বন্ধন রেখেছেন হয়তো, তাই দেরী না করে বিয়ে দিতে সরাসরি রাজি হলেন ফুলপুর উপজেলার ৯নং বালিয়া ইউনিয়নের শালিয়া কান্দা গ্রামের হাবিবুর রহমান ওহাব সাহেব। গতকাল ৭ ফেব্রুয়ারি ৪ লাখ টাকা করে দেনমহর দিয়ে বিয়ে হয়ে গেল তাদের।আজ শনিবার তাদের বৌভাত। এলাকার চাঞ্চল্যকর এ বিয়েতে অনেক মেহমান আসে বিরল এ বিয়েতে শরীক হয়ে ইতিহাস হয়ে থাকতে, আত্মিয়,রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ,জন প্রতিনিধি, সামাজিক নেতৃবৃন্দ, সরকারী আমলা হতে শুরু করে অতি সাধারণ মানুষ ঔৎসুক জনতা বিয়েতে আসেন।আশা করা যায় বৌভাত অনুষ্ঠানে তাদের আর্শিবাদ করতে অনেকেই থাকবেন। এ বিয়ের পাত্রপাত্রী সাথে কথা বলে জানাগেল তারা অনেক খুশি সবার কাছে দোয়া চাইলেন। মেয়ে ও ছেলেদের মায়েরা তো আনন্দে আত্মহারা। তারা এ দম্পতিদের আগলে রাখবে বলে জানান।

সুবর্ণবাংলা/এমএইচকে

 Share

করোনাভাইরাস: অসুস্থ পশুপাখির সংস্পর্শ এড়িয়ে চলার পরামর্শ

0

অনলাইন ডেস্ক

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে অসুস্থ পশুপাখির সংস্পর্শ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদি সেব্রিনা ফ্লোরা।

শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে রাজধানীর মহাখালী নিজ কার্যালয়ে করোনা বিষয়ে জানাতে গিয়ে তিনি এ সতর্কবার্তা দেন।

তিনি বলেন, আমাদের আচরণের সামান্য পরিবর্তন ও সতর্কতাই পারে করোনাভাইরাসের ঝুঁকি মোকাবেলা করতে। যদিও আমাদের দেশে এখনও করোনাভাইরাস ছড়ায়নি।

ডা. মীরজাদি সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে প্রস্তুত থাকতে হবে। অসুস্থ পশু পাখির সংস্পর্শ এড়িয়ে চলতে হবে। হাঁচি কাশির সময় সাধারণ শিষ্টাচার মেনে চলতে হবে। দেশে এখনও করোনাভাইরাস আক্রান্ত কোন রোগী পাওয়া যায়নি।

এরপরেও কারো মধ্যে করোনা আক্রান্তের লক্ষণ দেখা দেখা গেলে মানুষের সংস্পর্শের বাইরে থাকতে হবে। চীন যাতায়াতে আমরা নিরুৎসাহিত করছি সবাইকে।

সুবর্ণবাংলা/এমএইচকে

‘মুশফিক উল্টো দিকে হাঁটছে, এটা হতাশাজনক’

0

সূবর্ণ বাংলা স্পোর্টস ডেস্ক

বাংলাদেশ দলের সব ক্রিকেটার পাকিস্তান সফরে গেলেও নিরাপত্তা ইস্যুতে পারিবারিক কারণ দেখিয়ে যাননি মুশফিকুর রহিম। তার এমন সিদ্ধান্তে হতাশ ক্রিকেট ধারাভাষ্যকার ও পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক রমিজ রাজা।

পাকিস্তান সফরে যাওয়া বাংলাদেশের এক সাংবাদিকের সঙ্গে আলাপে রমিজ রাজা বলেন, বাংলাদেশ দল পাকিস্তান সফরে এলো। অথচ শুধু একজন (মুশফিক) আসছে না, শুধু নিরাপত্তার কারণে। এটা ভালো দেখায় না। ভালো শোনায় না। তার সতীর্থরা এখানে এসেছে, সবাই পাকিস্তানের নিরাপত্তার ওপর আস্থা রাখছে। শুধু একজন অন্য পথে হাঁটছে। এটা হতাশার।

ক্রিকেট থেকে অবসরে ধারাভাষ্য পেশায় জড়িয়ে যাওয়া পাকিস্তানের সাবেক এ তারকা ক্রিকেটার আরও বলেন, তবে এটাও বুঝতে হবে এটি একজনের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। কিন্তু দলের কথা চিন্তা করুন। তাদের সবচেয়ে ধারাবাহিক ব্যাটসম্যানকে ছাড়া খেলতে এসেছে।তাছাড়া নিষেধাজ্ঞার কারণে সাকিব আল হাসান তো আগে থেকেই নেই।

পাকিস্তান সফরে রাওয়ালপিন্ডি টেস্টে শুক্রবার টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে মাত্র ৩ রানে দুই ওপেনারের উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যাওয়া বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত ২৩৩ রানে অলআউট হয়।

বাংলাদেশ দলের ব্যাটিং দেখে হতাশা প্রকাশ করে রজিম রাজা বলেন, ওপেনাররা হচ্ছেন কোনো দলের প্রাণ। সব দলই তাকিয়ে থাকে তাদের দিকে। তাদের অনুসরণ করে সতীর্থ ব্যাটসম্যানরা। বাংলাদেশের ওপেনাররা সেটি করতে পারেনি।

সুত্র-ইন্টারনেট/এসএমবি

গণতন্ত্রের জন্য শক্তিশালী বিরোধী দল চাই: ওবায়দুল কাদের

0

সূবর্ণ বাংলা ডেস্ক   

গণতন্ত্রের জন্য শক্তিশালী বিরোধী দল প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেছেন, বিরোধী দল শক্তিশালী হোক, বড় সমাবেশ করুক আমরা সেটা চাই। কারণ শক্তিশালী গণতন্ত্রের জন্য শক্তিশালী বিরোধী দল দরকার। কিন্তু তাদের (বিএনপি) নেতিবাচক রাজনীতি নির্বাচনে পরাজয়ের কারণ। নির্বাচনে পরাজিত হয়ে হতাশায় ভুগছে এবং আবোল তাবোল কথা বলছে। তারা নিজেরাই ঐক্যবদ্ধ না, জনগণকে কীভাবে ঐক্যবদ্ধ করবে?

শুক্রবার বিকালে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এবং সহযোগী সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

এদিকে বৈঠকে তিন সহযোগী সংগঠন মহিলা লীগ, যুব মহিলা লীগ ও তাঁতী লীগের সম্মেলন করতে নির্দেশ দিয়েছেন ওবায়দুল কাদের। বৈঠক সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

কাদের বলেন, ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। কমিটির তালিকা দলীয় দফতরে ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা দিতে বলা হয়েছে। আর যেসব জেলায় যাদের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে তাদের এপ্রিলের মধ্যে সম্মেলন শেষ করতে বলা হয়েছে। আগামীকাল (শনিবার) বিকাল ৪টায় ঢাকা মহানগরের নবনির্বাচিত মেয়র ও ঢাকার সংসদ সদস্যদের সঙ্গে বসা হবে বলেও জানান তিনি।

সিটি নির্বাচনে বিদ্রোহী কাউন্সিলর প্রার্থীদের বিষয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমাদের অভ্যন্তরীণ কিছু দুর্বলতা অবশ্যই আছে। এটা উত্তোরণের জন্য মহানগরে ওয়ার্ড, থানায় সম্মেলন করে কমিটি করা হবে। আওয়ামী লীগের সাধারণ ওয়ার্ডে বিজয়ী কাউন্সিলর ৯৮ জন, সংরক্ষিত ৩৪ জন, মোট ১৩২ জন। ১৬ জন বিদ্রোহী কাউন্সিলর বড় কোনো সংখ্যা নয়।

নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি কম রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি জনগণের আস্থাহিনতা কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, এ বিষয়ে সামগ্রিকভাবে চুলচেরা বিশ্লেষণ করা দরকার। আমাদের দলে এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে। আগামী ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে এ বিষয়ে আমরা আলোচনা করব। আমরা ভবিষ্যতে অতীতের ভুলত্রুটি এড়িয়ে পথ চলতে পারব।

বিএনপির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে করা এক প্রশ্নে ওবায়দুল কাদের বলেন, সাম্প্রতিককালে রাজনীতিতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বহমান। এই মুক্তিযুদ্ধের দেশে সাম্প্রদায়িক ধারায় ফিরিয়ে নেয়ার রাজনীতি চলবে না।

তিনি বলেন, এখনকার তরুণরা জননেত্রী শেখ হাসিনার মতো আস্থাভাজন নেতৃত্বে বিশ্বাসী। বিএনপি যতদিন সাম্প্রদায়িক এবং জঙ্গিবাদী রাজনীতির পৃষ্ঠপোষকতাকে লালন-পালন করবে, ততদিন তাদের এই নেতিবাচক ধারার কারণে আন্দোলনেও বিজয়ী হবে না, নির্বাচনেও বিজয়ী হবে না।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আবদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সবুর, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ফজলুর রহমান বাবু, ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়, সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য প্রমুখ।

সুত্র-ইন্টারনেট/এসএমবি

ফুলপুরে যুবসমাজের উদ্যোগে ফের চালু হয়েছে হাছেন আলী মন্ডল ইবতেদায়ী মাদ্রাসা

0

ফুলপুর থেকে মোঃ কামরুল ইসলাম খানঃ

ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার পরানগঞ্জ ইউনিযনের টানহাসাদিয়া গ্রামের বন্ধ হওয়া হাসেন আলী মন্ডল ইবতেদায়ী মাদ্রাসাটি এলাকার যুব সমাজের উদ্দ্যেগে ফের চালু হয়েছে।

জানা গেছে, উপজেলা শহর থেকে প্রায় ৪ কিঃমিঃ দুরে এই গ্রামটির শিক্ষার হার খুব কম ছিল। ১৯৮২ সালে উল্লেখিত গ্রামের শিক্ষানুরাগী হাসেন আলী মন্ডল গ্রামবাসীকে শিক্ষিত করার লক্ষে একটি ইবদতদায়ী মাদ্রাসা প্রতিষ্টা করার জন্য ৮০ শতাংশ জমি মাদ্রাসার নামে দিয়ে প্রতিষ্টা করেন মাদ্রাসাটি।বেশ কয়েক বছর পাঠদানের পরে প্রতিষ্টাতা হাসেন আলী মন্ডল মারা যায়।তারপর থেকে আস্তে আস্তে শিক্ষা প্রতিষ্টানটি বন্ধ হয়ে যায়।অনেক বছর বন্ধ থাকার পরে ফের হাছেন আলী মন্ডলের নাতি রাসেল আহমদ মন্ডল ও রকিবুল হাসান রকিবের উদ্দ্যোগে এলাকার যুব সমাজ ও মুরবি্বদের নিয়ে চালু করা হয় মাদ্রাসাটি।

রাসেল আহমেদ মন্ডল এ প্রতিনিধিকি বলেন, সমৃদ্ধদেশ গড়তে শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। যে জাতি যত শিক্ষত তত উন্নত। জাতীকে শিক্ষত করতে হলে আনন্দঘন পরিবেশ ও বিনোদনের মাধ্যমে শিশুদের বিদ্যালয় মুখি করতে হবে।পাশাপাশি সচেতন করতে হবে অভিভাবকদের।তারি লক্ষে আমরা এলাকার যুবসমাজ মিলে বন্ধ মাদ্রাসাটি চালু করেছি।আর  বাড়ী বাড়ী গিয়ে প্রায় শতাধিক ছাত্র সংগ্রহ করেছি পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টান থেকে সংগ্রহ করেছি বই।ইতিমধ্যে সংগ্রহকৃত বই আমরা ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে বিতরন করেছি। বই কম থাকায় সবাইকে বই দিতে পারিনি।তারপরও আমরা প্রথম শ্রেণী থেকে ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত ক্লাস শুরু করেছি।বন্ধ হওয়া শিক্ষা প্রতিষ্টাটি এলাকাবাসীর সহযোগীতায় নতুন করে চালু হওয়ায় এলাকাবাসী, রাসেল মন্ডল ও রকিব খুব আনন্দীত এবং এলাকাবাসীর কাছে তারা কৃতজ্ঞ বল জানায়। ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি নাজমূল হুদা যুবকদের প্রসংশা করে এগিয়ে যাবার আহবান জানান।

পরানগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব ইউনুস আলী মাষ্টার জানায়,এ মাদ্রাসাটি নতুন করে চালু হওয়ায় এলাকার সুবিধা বঞ্চিত ছেলে-মেয়েরা শিক্ষার আলো ফিরে পাবে।তাই সরকারী-বেসরকারী সহায়তা যদি অব্যহত রাখার বিশেষ প্রয়োজন পাশাপাশি এলাকার বিত্তবানদের সু-দৃষ্টি রাখার আহবান করেন।

রেড লেডি পেপে চাষ করবেন যেভাবে

0

সূবর্ণ বাংলা ডেস্ক   

স্বল্পমেয়াদী ফল ও সবজি হওয়ায় দিন দিন বাড়ছে পেপে চাষ। আগে অনেকে কৃষক নিজের খাবার জন্য বাড়ির আঙিনায় পেপের চারা লাগালেও এর বাণিজ্যিক চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন অনেকে। আর পেপে অত্যন্ত সুস্বাদু, পুষ্টিকর এবং ওষুধি গুণ সম্পন্ন হওয়ায় ভোক্তা পর্যায়েও রয়েছে এর জনপ্রিয়তা। দেশে বর্তমানে প্রায় ৪ হাজার হেক্টর জমিতে পেপে চাষ হয় এবং মোট উৎপাদন প্রায় ৪৯ হাজার টন। রেড লেডি পেপে জাতের চাষ সম্পর্কে জেনে নিন-

প্রথমেই বীজ কেনা প্রসঙ্গ। বাজারে অনেক ধরণের বীজ পাওয়া যায় যা কেনার সময় ভালোভাবে যাচাই-বাছাই করে নিতে হবে। চীন ও তাইওয়ানের রেড লেডি বীজ ভালো বলে জানিয়েছেন চাষীরা। তাইওয়ানের রেড লেডি ২ গ্রাম বীজের প্রতি প্যাকেট বীজের দাম পড়বে ৫৫০-৬৫০ টাকা এবং প্রতিগ্রামে বীজ থাকে ৬০-৭০টি। সাধারণত হেক্টরপ্রতি ৭০-১০০ গ্রাম বীজ দরকার হয়। 

চারা তৈরি: বীজ থেকে বংশ বিস্তার করা যায়। বীজের প্যাকেট কেটে ২ ঘণ্টা রোদে শুকিয়ে ঠান্ডা জায়গায় রেখে ১০-১২ ঘণ্টা পানিতে ভেজানোর পর পলিথিন ব্যাগে চারা তৈরি করতে হবে। পলিথিন ব্যাগে চারা তৈরি করলে রোপণের পর চারা দ্রুত বাড়ে। ৫X৬ সে.মি আকারের ব্যাগে সমপরিমাণ বেলে দোআঁশ মাটি ও পচা গোবরের মিশ্রণ ভর্তি করে ব্যাগের তলায় ২-৩টি ছিদ্র করতে হবে। তারপর এতে সংগৃহীত বীজ হলে একটি এবং পুরাতন বীজ হলে ২টি বপন করতে হবে। ১টি ব্যাগে একের বেশি চারা রাখা উচিত নয়।

চারা রোপণ: ১.৫ থেকে ২ মাস বয়সের চারা রোপণ করা যায়। ২ মিটার দূরে দূরে ৬০X৬০X৬০ সে.মি আকারে গর্ত করে রোপণের ১৫ দিন আগে গর্তের মাটির সার মেশাতে হবে। পানি নিষ্কাশনের জন্য ২ সারির মাঝখানে ৫০ সে.মি নালা রাখতে হবে।

সার: চারা লাগানোর পর নতুন পাতা এলে ইউরিয়া ও এমপি সার ৫০ গ্রাম করে প্রতি ১ মাস অন্তর প্রয়োগ করতে হবে। গাছে ফুল এলে এ মাত্রা দ্বিগুণ হবে। শেষ ফল সংগ্রহের আগেও সার দিতে হবে।

পরিচর্যা: গাছের গোড়া থেকে আগাছা তুলে ফেলতে হবে। গোড়ার মাটি কোদাল দিয়ে হালকা করে দিতে হবে। গাছে অতিরিক্ত ফল হলে কিছু ফল ছিড়ে নিতে হবে। বাকি ফল এতে বড় হওয়ার সুযোগ পাবে। পেঁপে গাছে বিভিন্ন হরমোন প্রয়োগ করে সুফল পাওয়া যায়।

সব পরিশ্রমের পর এবার ফল তোলার পালা। পেপের রং দেখেই বুঝা যাবে এটি সংগ্রহ করার সময় হয়েছে কি না। পুষ্ট হওয়ার সময় সাধারণত কোনো কোনো ফলে হলুদ রং ধারন করে। আবার পুষ্ট ফলে কিছু দিয়ে খোঁচা দিলে পানির মতো তরল আঠা বের হলেও বুঝবেন পেপে সংগ্রহ করার সময় হয়েছে কারণ অপুষ্ট ফল থেকে দুধের মতো ঘন আঠা বের হয়। 

কৃষিবিদ খাইরুল আমিন

সুত্র-ইন্টারনেট/এসএমবি