8.3 C
New York
Sunday, July 12, 2020
Home Blog Page 2

মায়ের কবরেই শায়িত হলেন সাহারা খাতুন

0

সুবর্নবাংলা ডেস্ক-

আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য এবং সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুনকে মায়ের কবরে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়েছে। গতকাল শনিবার শ্রদ্ধা জানানো শেষে বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে মায়ের কবরেই সমাহিত করা হয়।

দাফনের আগে রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে তার সহকারী সামরিক সচিব কর্নেল রাজু আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে তার সামরিক সচিব মেজর জেনারেল নকীব আহমেদ, আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় নেতারা, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম এবং বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

শনিবার সকাল ১০টা ৫১ মিনিটে বনানী কবরস্থানে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সাহারা খাতুনের মরদেহ বনানী কবরস্থানে পৌঁছায় । ১১টায় বনানী জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে সাহরা খাতুনের দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে মরহুমার বিদেহী আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে তার কফিনে শ্রদ্ধা জানানো হয়। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

এছাড়া আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম তার মরদেহের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এর আগে সাহারা খাতুন বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ৪০ মিনিটে থাইল্যান্ডের ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ সাহারা খাতুনকে উন্নত চিকিসার জন্য গত ৬ জুলাই এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে থাইল্যান্ডে নেয়া হয়।

সাহারা খাতুন ২০০৮ সালে ঢাকা-১৭ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এই আসনে তিনি পর পর তিনবার সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সরকার গঠন হলে তিনি দেশের প্রথম নারী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। এরপর ওই মন্ত্রিসভায় তার দফতর পরিবর্তন হলে তিনি ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান।

সূত্র-ইন্টারনেট/এসএমবি

তাহেরপুরে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নকল প্রসাধনী বাজারজাত করছে অসাধু ব্যবসায়ীরা

0

সুবর্নবাংলা ডেস্ক-

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার তাহেরপুর পৌরসভা এলাকায় তাহেরপুরে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নকল প্রসাধনী বাজারজাত করছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। বেশি লাভের আশায় বিভিন্ন নামি-দামি বিদেশি ব্র্যান্ডের নাম ব্যবহার করে নকল প্রসাধনী তৈরি করছে । প্যাকেট, টিউব, রং সবই আসলের মতো কিন্তু তা চেনার কোনো উপায় নেই।

আর এসব পণ্য বেশি দামে কিনে প্রতারিত হচ্ছেন ব্যবহারকারীরা। এছাড়া অনেক ক্রেতারা দাম কম ভেবে এগুলো কিনছেন কিন্তু এর ব্যবহার করে অজান্তে নিজেরই ক্ষতি করছেন। এবং কোনো কোনো দোকানির কাছে ক্রেতারা কখনো অভিযোগ করে তা তাকে বলা হয় কোম্পানি যা দিয়েছে তাই বিক্রি করা হচ্ছে। ফলে ক্রেতা আর কোনো প্রশ্ন করার সুযোগ পায় না। তারা সঠিক দাম দিয়ে কিনে নিয়ে বাড়ি চলে যায়।

এদিকে, পুঠিয়া উপজেলায় দেশি-বিদেশি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নকল কসমেটিক তৈরি কারখানায় অভিযান চালিয়ে মালিক মাসুদ রানাসহ পাঁচজনকে আটক করেন জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই)। এ সময় নামি-দামি দেশি-বিদেশি কোম্পানির নয় প্রকারের বিপুল পরিমাণ নকল কসমেটিকস সামগ্রী জব্দ করা হয়। এর মধ্যে ভারতীয় পতেঞ্জলি কোম্পানির বিভিন্ন কসমেটিকস বেশি জব্দ করা হয়।

এছাড়া নাটোর, নওগাঁ ও বগুড়া জেলায় শত শত নকল কসমেটিক তৈরি কারখানা রয়েছে। ভুক্তভোগীরা বলছেন, এসব প্রসাধনী ব্যবহারে চর্মরোগ, স্কিন ক্যান্সারসহ নানা ধরনের রোগের প্রবণতা বাড়ছে। জানাগেছে,উপজেলার তাহেরপুর পৌরসভার কলেজ রোডে সালাম মার্কেট,স্কুল মার্কেট, নিউমার্কেট এবং কসমেটিকপট্রিসহ বিভিন্ন জায়গায় গড়ে উঠা দোকান গুলোতে বেশি মুনাফা অর্জনের লক্ষ্যে দোকানিরা নকল প্রসাধনী সুন্দরভাবে থাকে থাকে সাজিয়ে রাখছেন।

ফলে প্রসাধনীর দোকানগুলোতে চাকচিক্যভাবে শোভা পাচ্ছে এসব পণ্য। এগুলো ব্যবহার করে মানুষ চর্ম রোগে আক্রান্ত হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়।

সূত্র-ইন্টারনেট/এসএমবি

রাজশাহীতে উজান থেকে নেমে আসা পানিতে থৈ থৈ করছে জমি

0

সুবর্নবাংলা ডেস্ক-

রাজশাহীতে উজান থেকে নেমে আসা পানিতে নিম্ন অঞ্চলের জমি থেকে নামছে না পানি। নিম্ন অঞ্চল গুলোতে থইথই করছে পানি। কোনোভাবেই নিম্ন ঞ্চলের আবাদি জমি থেকে পানি না নামার কারণে রোপা আমনের ভরা মৌসুমে চাষ করতে পারছে না জমি।

এতে করে চরম বিপাকে উপজেলার হাজারো কৃষক। ফলে জমি তৈরি ও রোপণের সময় নিয়ে মহাদুশ্চিন্তায় পড়েছেন জমির মালিকরা। জানা গেছে, উজান থেকে নেমে আসা পানি কারণে উপজেলার নিম্ম অঞ্চলের চারদিকে থৈ থৈ করছে পানি। এ সময় জমি তৈরি ও রোপণের জন্য মহাব্যাস্ত থাকে উপজেলার কৃষকরা। কিন্তু আবাদি জমি থেকে পানি না নামার কারণে জমি চাষ করতে পারছে না কৃষকরা। বর্তমানে এসব আবাদি জমির মাঠগুলোতে জাল দিয়ে মাছ মাছ মারতে হচ্ছে। আষাঢ়ের প্রথম থেকে এখন পর্যন্ত প্রতিদিন ভারি গুঁড়ি গুঁড়ি বর্ষণ হতেই আছে।

যার কারণে অনেকে বন্যার আশঙ্কাও করছেন। জেলার মধ্যে তানোর উপজেলায় রোপা আমন ধানের চাষ হয় প্রায় ২২ হাজার হেক্টরের মতো জমিতে। আর এরোপা আমন ধানের চাষাবাদ উপজেলার জনসাধারণের কাছে প্রধানতম আয়ের উৎস। এই ধান চাষেই উপজেলার হাজারো কৃষক সারাবছরের আয় ব্যয়ের হিসেব করে থাকেন। তবে নিম্ন অঞ্চলের জমি যেমন হচ্ছে না চাষ, ঠিক উঁচু জমির হিসেব পুরোটাই উল্টা। কারণ তারা টানা বৃষ্টির পানির কারণে জমি রোপণ শুরু করে দিয়েছেন। সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার নিম্ন অঞ্চল বলতে মূলত কামারগাঁ ইউনিয়ন, চান্দুড়িয়া, কলমা, তালন্দ ও তানোর পৌর এলাকার কিছু কিছু অংশ করে। কলমা ইউনিয়নের আজিজপুর, চন্দন কোঠা, কুযিশহর ও কামারগাঁ ইউনিয়নের পুরো আবাদি জমির মাঠ পানিতে করছে থৈ থৈ। এসব জমিতে হাঁটু পানির বেশি হয়ে বিলে রূপ নিয়েছে।

দেখে মনেই হবে না এসব জমিতে ধানের চাষাবাদ হয়। জমি চাষের বিপরীতে জাল, ছুটি, বড়শিসহ নানা জাতীয় মাছ ধরার আসবাবপত্র দিয়ে মাছ শিকার করছেন প্রতিদিন জনসাধারণ। তানোর থেকে চৌবাড়িয়া পর্যন্ত রাস্তার দুপাশে আবাদি জমিতে শুধুই পানি আর পানি। পরিকল্পিতভাবে পানি বের হবার জন্য রাস্তায় কার্লভাট কিংবা ড্রেন নির্মাণ না করার কারণেই নামছে না পানি বলে কৃষকরা মনে করছেন। কিন্তু পানি নামানোর জন্য জনপ্রতিনিধিদের বললেও কেউ গুরুত্ব দিচ্ছেন না বলেও অভিযোগ করেন কৃষকরা। যার কারণে অনেকের রোপা আমনের বীজের বয়স বেশি হলে এবং সময়মতো রোপণ না করতে পারলে চরম বিপাকে পড়তে হতে পারে কৃষকদের এমন ধারনাই করছেন অনেকে।

তালন্দ ইউপির দেবিপুরগ্রামের পশ্চিমে ধান রোপণের জন্য জমিতে যান বকুল নামের পৌর এলাকার কৃষক। তিনি জানান দুই বিঘা জমি চাষ দিয়ে তৈরি করা আছে। বৃহস্পতিবারে জমি রোপণের জন্য গেলে দেখি জমিতে হাঁটু পানি। কোনোভাবেই জমি রোপণ করা যাবে না। নিম্নে ৫ থেকে ৭দিন অপেক্ষা করতে হবে জমি রোপণের জন্য। কারণ এঅবস্থায় জমি রোপণ করলে চারা পানির নিচে থাকবে।কামারগাঁ বাজার এলাকার বাসিন্দা কৃষক সুফি কামাল মিন্টু জানান ইউপি এলাকার প্রায় জমিতে হাঁটু পানি। চারদিকে পানি থাকার কারণে জমি চাষ দিয়েও রোপণ করতে পারছে না।

তিনি জানান কামারগাঁ সেন্ট্রাল কলেজ সংলগ্ন এলাকায় ১৮ বিঘা জমিতে হাঁটু পানি। সবকিছুই প্রস্তুত আছে কিন্তু পানির জন্য রোপণ করা যাচ্ছেনা জমি। তিনি আরো জানান একই মাঠে আমজাদ চৌধুরীর ৭ বিঘা, তোফাজ্জুলের ১৫ বিঘা, সিরাজ মাষ্টারের ১০ বিঘাসহ প্রায় কৃষকের একই অবস্থা। হাতিনান্দা মাঠে সুলতান মাষ্টারের ২০ বিঘা জমি পানির নিচে। ওই মাঠে শত শত বিঘা জমিতে হাঁটু পানি থাকার কারণে জমি রোপণের পরিবর্তে মাছ ধরার ধুম পড়েছে। পাড়িশো দুর্গাপুর গ্রামের কৃষক রিগান জানান মিরাদিঘির ডিপ নামক মাঠে ব্যাপক হারে জমিতে পানি রয়েছে।

পানি নামার কোনোই অবস্থা দেখছি না। কারন চারদিকে পানি ভরা আবাদি জমির মাঠ। আমার ১০ বিঘা জমিতে কোমর পানি কোনোভাবেই নামছে না সেই পানি। আর নামারও জায়গা নেই। চারদিকে থৈ থৈ করছে পানি আর পানি। এ সময় জমি রোপণে চরম ব্যস্ত থাকতে হয়। কিন্তু জমিতে পানি থাকায় শুধু চেয়ে চেয়ে দেখতে হচ্ছে। আবার প্রতিদিন বৃষ্টির পানি হতেই আছে।

তিনি আরো জানান ওই মাঠে সুচিপদওর ২০বিঘা, রেজাউলের ১০বিঘা, করিমের ৫বিঘা, মিনা মাষ্টারের ১০ বিঘাসহ সবার জমিতে হাঁটু কমর পানি। শুধু ওই সব এলাকা না ওই ইউপির শ্রীখন্ডা, বাতাসপুর, মাদারীপুর পারিশো দুর্গাপুর এলাকাসহ ইউপির প্রায় আবাদি মাঠে পানি আর পানি।

আষাঢ়ের মাসের ১৫ দিনের পর থেকে শ্রাবণ মাসের ১৫ দিন পর্যন্ত চলে রোপা আমন রোপণের কাজ। কামারগাঁ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুসলেম উদ্দিন প্রামানিক জানান টানা বৃষ্টির কারণে ইউপি এলাকার রোপা আমনের জমির মাঠে ব্যাপক হারে রয়েছে পানি। আবহাওয়ার যে অবস্থা তাতে মনে হচ্ছে না দু এক সপ্তাহের মধ্যে পানি জমি থেকে নামবে। তবে বৃষ্টি না হলে জমি থেকে পানি নেমে যাবে এবং কৃষকরাও তাদের আশানুরূপ জমি রোপণ করতে পারবেন বলে আসা করেন তিনি।

এদিকে মড়ার উপর খাড়ার গায়ের মতো অবস্থা সৃষ্টি করে রেখেছেন তানোর পৌর এলাকার চাপড়া গ্রামের আনসার ওরফে কেহেরমান হিসেবে পরিচিত তিনি চাপড়া ব্রিজের পশ্চিম দিকের মুখ বন্ধ করে দিয়ে পানি যাওয়া আটকে দিয়ে নিজের জমিসহ অন্যের জমি দখলে নিয়ে চারদিকে উঁচু করে বেঁধে মাছ ছেড়েছেন।

তার এমন অনৈতিক কর্মকার্তা জন্য উপরের থেকে নামছে না পানি। যার কারনে জমি চাষ করতে পারছে না। এমনকি এসব কাজের জন্য আনসারকে কেউ ভয়ে কিছু বলতেও পারছে না বলে গ্রামবাসীর রয়েছে অভিযোগ। এছাড়াও চান্দুড়িয়া বাজারের পূর ও দক্ষিণ দিকে ফসলী জমিতে পুকুর খননের কারনে চরম বিপাকে জমির মালিকরা। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শামিমুল ইসলামের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান আমার হঠাৎ হার্ট এটাক হয়েছে, আমি এখন হাসপাতালে আছি।

তাঁরপরেও তিনি এই প্রতিবেদকের কাছে খোঁজ নেন কোনো কোনো এলাকাই পানি জমে আছে,তাকে পানি না নামার জন্য জায়গাগুলো সম্পর্কে অবহিত করা হলে, তিনি জানান টানা বৃষ্টির কারণে পানি নামতে পারছে না। তবে দু এক দিন পানি না হলে আমার মনে হয় পানি বের হয়ে যাবে।

লক্ষ্যমাত্রা কত এবং এ পর্যন্ত কত হেক্টর জমিতে রোপা আমন রোপণ করা হয়েছে জানতে চাইলে তিনি জানান আপনি আমার অফিসের আলি রেজার সাথে যোগাযোগ করেন। আলি রেজার মোবাইলে ফোন দেয়া হলে এক মহিলা রিসিভ করে জানান বাসায় নেই মোবাইল রেখে বাইরে গেছে।

সূত্র- ইন্টারনেট/এসএমবি

কুমিল্লায় গোমতী নদী থেকে ২ যুবকের লাশ উদ্ধার

0

সুবর্নবাংলা ডেস্ক-

কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলায় গোমতী নদীতে নৌকা ডুবে নিখোঁজের একদিন পর দুই যুবকের লাশ উদ্ধার করেছেন ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিরা। গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহতরা হলেন- মাদারীপুরের শিবচর এলাকার মোজাফফর বেপারীর ছেলে সজিব ও ঢাকার হাজারীবাগ এলাকার হাজী আবদুল রহিম অপুর ছেলে অনিক।

পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে ঢাকা থেকে মাইক্রোবাসযোগে আটজন যুবক দাউদকান্দির টোলপ্লাজা এলাকায় আসে। পরে স্থানীয় তিনবন্ধুর সঙ্গে সেখানে খাওয়া-দাওয়া শেষে একটি ছোট নৌকায় সকলে নদীর পাশে একটি মাছের প্রজেক্ট দেখতে যায়। কিছুক্ষণ পর নদীতে চলমান একটি ট্রলারের ঢেউ এসে ওই নৌকায় ধাক্কা লাগে।

এতে অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই হওয়ায় নৌকাটি ডুবে যায়। পরে সাঁতরে মাঝিসহ ১০ জন তীরে চলে আসে। দাউদকান্দি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন কর্মকর্তা ফয়েজ আহমেদ বলেন, দুই যুবকের নিখোঁজের বিষয়টি জানতে পেরে আমরা গত শুক্রবার সকাল ৬টার দিকে ঘটনাস্থলে যাই। পরে চাঁদপুর থেকে ৫ সদস্যের ডুবুরি দল আসার পর সকাল ৮টা থেকে উদ্ধার অভিযান শুরু হয়।

গতকাল শনিবার ভোররাত ব্রিজের একটি খুঁটির কাছে সজিবের লাশ এবং সকাল ৮টার দিকে ঘটনাস্থলের পাশে অনিকের লাশ ভেসে ওঠে। পরে দুটি লাশ তীরে আনার পর পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ সময় কুমিল্লা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের উপ-সহকারী পরিচালক কাজী নজমুজ্জামানসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র-ইন্টারনেট/এসএমবি

২ হাজার ব্যাংকার করোনায় আক্রান্ত মৃত্যু ৩৬ জনের

0

সুবর্নবাংলা ডেস্ক-

ব্যাংকগুলোতে প্রতিদিনই বাড়ছে করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্তের সংখ্যা। এখন পর্যন্ত প্রাণঘাতী এ ভাইরাস ২ হাজারেরও বেশি ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সংক্রমিত করেছে। আর মারা গেছেন ৩৬ জন। এছাড়া উপসর্গ দেখা দিয়েছে হাজারের অধিক কর্মকর্তার।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ব্যাংকগুলোতে স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তবে নানা প্রতিবন্ধকতার কারণে ব্যাংক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে অনেক সময় স্বাস্থ্যবিধি যথাযথ পরিপালন করা হচ্ছে না। সচেতনতার অভাবে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে না।

এসব কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছেন ব্যাংকাররা। বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। তাই দ্রুত কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি। পাশাপাশি অধিক কর্মী সমাগম ঠেকাতে অনলাইন ব্যাংকিংয়ে জোর দেয়া উচিত। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী ব্যাংকগুলোতে প্রাণঘাতী এ ভাইরাসে ২ হাজারের বেশি কর্মকর্তা-কর্মচারী আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ৩৬ জনের। এর মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর (সোনালী, রূপালী, জনতা এবং অগ্রণী) ৮৭৯ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যুবরণ করেছেন ২৩ জন কর্মকর্তা।

ব্যাংকগুলোতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকের কর্মকর্তাদের মধ্যে কোভিড-১৯-এ আক্রান্তের হার সবচেয়ে বেশি। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী সোনালী ব্যাংকের ৪২৮ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ৩৫ জন প্রধান কার্যালয়ে কর্মরত ছিলেন। ব্যাংকটির ৬ জন কর্মকর্তা ইতোমধ্যে মৃত্যুবরণ করেছেন। ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সূত্রে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংকের ২০০ কর্মকর্তা করোনায় আক্রান্ত এবং ৫ জন মৃত্যুবরণ করেছেন বলে জানা গেছে। অগ্রণী ব্যাংকের ১৪০ কর্মকর্তা সংক্রমিত এবং ৯ জন মৃত্যুবরণ করেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শামস-উল ইসলাম।

রূপালী ব্যাংকের ১১১ কর্মকর্তা আক্রান্ত এবং তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে এখন পর্যন্ত। দ্য সিটি ব্যাংকের ৩ জন, এনসিসি ব্যাংকের চট্টগ্রাম আগ্রাবাদ শাখার ১ জন, উত্তরা ব্যাংকের শান্তিনগর শাখার ১ জন, ন্যাশনাল ব্যাংকের ১ জন, ওয়ান ব্যাংকের ১ জন, ডাচ-বাংলা ব্যাংকের ২ জন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের ১ জন এবং এঙ্মি ব্যাংকের ১ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। নিয়ন্ত্রণ সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংকেও প্রায় শতাধিক কর্মকর্তা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। মারা গেছেন ২ জন।

সূত্র-ইন্টারনেট/এসএমবি

করোনায় বিপর্যস্ত জন্মনিয়ন্ত্রণ এ বছর দেশে জন্ম নেবে ২৪ লাখ শিশু

0

কার্যক্রম এ বছর অতিরিক্ত ২ লাখ ৩৫ হাজার শিশু জন্ম নেবে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে লক্ষাধিক শিশুর জন্ম লকডাউনে পরিবার পরিকল্পনা স্থবির

সুবর্নবাংলা ডেস্ক-

কলেজে ভর্তি হতে গেলে আসন নেই, রেলে গেলে টিকেট নেই, বাসে উঠলে বসার সিট নেই, ইন্টারভিউ দিচ্ছে চাকরি নেই। এ সবই একটি দেশের জনসংখ্যা বিস্ফোরণের লক্ষণ। বর্তমানে বাংলাদেশে একটা জনসংখ্যা বিস্ফোরণ চলছে। বাংলাদেশে প্রতি এক মিনিটে জন্ম নিচ্ছে ৯ জন শিশু। বাড়তি জনসংখ্যার নেতিবাচক চাপ পড়ছে দেশের সব সেক্টরে এবং জনজীবনে। বাংলাদেশের জন্ম নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা না গেলে নতুন ভয়াবহ সংকট তৈরি করবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জানা গেছে, বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসকে মহামারী ঘোষণা করার পর থেকে ৪০ সপ্তাহের মধ্যে বাংলাদেশে আনুমানিক ২৪ লাখ শিশু জন্ম নেবে। বর্তমানে স্বাস্থ্য বিভাগ ভাইরাসে আক্রান্তদের সেবাকে প্রাধান্য দিচ্ছে এবং তা সামলাতে এখন হিমশিম খাচ্ছে। এতে প্রসূতি ও নবজাতকদের স্বাস্থ্যসেবা যথাযথ গুরুত্ব না পাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশে কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ২০১৯ সালের মার্চের তুলনায় ২০২০ সালের মার্চে সেবা গ্রহণ ২৫ শতাংশ কমেছে।

বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি তোমো হোযুমি বলেছেন, মহামারীর কারণে স্বাস্থ্যসেবা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেলে প্রতিরোধযোগ্য ও আরোগ্য লাভ করা সম্ভব এমন অবস্থা থেকে হাজার হাজার শিশু মারা যেতে পারে। নারী ও শিশুদের জন্য জীবনরক্ষাকারী সেবা সহজলভ্য, নিরাপদ এবং সেবা গ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করছে ইউনিসেফ।

ইউনিসেফের তথ্যানুযায়ী, ১১ মার্চ করোনাকে মহামারী ঘোষণার পর থেকে প্রায় ১০ মাসে বাংলাদেশসহ বিশ্বজুড়ে আনুমানিক ১১ কোটি ৬০ লাখ শিশুর জন্ম হবে। আর কভিড-১৯ রোগীদের সেবায় নিয়োজিত থাকায় শিশুর জন্মের সময় দক্ষ লোকবলের ঘাটতি থাকবে। সংক্রমিত হওয়ার ভয়ে অন্তঃসত্ত্বারা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যেতে ভয় পাচ্ছেন। এ ছাড়া লকডাউনের কারণে ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থা চাপের মুখে থাকায় তারা জরুরি সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। করোনা মহামারীর কারণে লকডাউন ঘোষণার পর দুই মাসে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী ব্যবহারের পরিমাণ ব্যাপক হারে কমেছে। আবার বেড়েছে ঘরে সন্তান প্রসবের প্রবণতা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জন্মনিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় এ বছর প্রায় ২ লাখ ৩৫ হাজার অতিরিক্ত শিশু জন্ম নেবে। জাতিসংঘ শিশু তহবিলও দেশে জন্মহার বাড়ার ইঙ্গিত দিয়েছে। সাধারণ সময়ে দেশে প্রতিবছর

প্রায় ২০ লাখ শিশু জন্ম নেয়। স্বাস্থ্যবিদ ও জনসংখ্যা বিশারদদের মতে, বাল্যবিবাহ ও ঘরে সন্তান প্রসবের সংখ্যা বাড়ায় মেয়েশিশু ও নারীদের প্রজননস্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের ওপর।

করোনা পরিস্থিতিতে দেশে গত ২৬ মার্চ থেকে ‘সাধারণ ছুটির’ আদলে লকডাউন শুরু হয়। এটি দফায় দফায় বাড়িয়ে শেষ হয় গত ৩০ মে। জাতিসংঘ শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) গত ৬ মে এক প্রতিবেদনে প্রক্ষেপণ করেছে, করোনার কারণে পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় পরবর্তী ৪০ সপ্তাহে ২৪ লাখ শিশুর জন্ম হতে পারে। সংস্থাটির আশঙ্কা, করোনাকালে জন্মকালীন পরিচর্যা এবং অন্তঃসত্ত্বা মা ও শিশুর জীবন রক্ষার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হবে। জনসংখ্যাবিদ ও গবেষকেরা বলছেন, লকডাউনের শুরুতে পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচি একেবারে স্থবির হয়ে গিয়েছিল। তাতেই এই অতিরিক্ত গর্ভধারণ হতে পারে।

নতুন এক গবেষণায় আভাস দেয়া হয়েছে, বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ আরও কমে গেলে আগামী ছয় মাসে মহামারীর পরোক্ষ প্রভাবে সম্ভাব্য সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতিতে পাঁচ বছরের কম বয়সী অতিরিক্ত ২৮ হাজার শিশুর মৃত্যু হতে পারে। উচ্চতার অনুপাতে ওজন কম হওয়া, যা অপুষ্টির একটি ধরন, পাঁচ বছরের কম বয়সী এসব শিশুর মৃত্যুর ক্ষেত্রে একটি বড় ভূমিকা রাখবে।

মহামারীর সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ কমে যাওয়ার ফলে যে ১০টি দেশে সর্বাধিক সংখ্যক অতিরিক্ত শিশু মৃত্যু ঘটার ঝুঁকি রয়েছে সেগুলো হলো- বাংলাদেশ, ব্রাজিল, গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গো, ইথিওপিয়া, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান, উগান্ডা ও তাঞ্জানিয়া।

এদিকে রোহিঙ্গাদের উচ্চ জন্মহারের কারণে কঙ্জারের উখিয়া-টেকনাফের ক্যাম্পগুলোতে বেড়েই চলেছে অনিয়ন্ত্রিত শিশু জন্মদান। ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে পরবর্তী তিন মাসে মায়ানমারে সেনা নির্যাতনের শিকার হয়ে বাংলাদেশ সীমান্তে আশ্রয় নেয় ১০ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা। এদের মধ্যে প্রায় ৫০ হাজার রোহিঙ্গা নারী গর্ভবতী অবস্থায় বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে আগেই সংবাদ প্রকাশ হয়েছিল। বর্তমানে সন্তানসম্ভবা রয়েছে অন্তত ২০ হাজার নারী। ফলে বিষয়টি নিয়ে প্রবল উদ্বেগ ও আতঙ্কে রয়েছে প্রশাসন ও স্থানীয় অধিবাসীরা। তাদের মতে যে হারে রোহিঙ্গা শিশুদের সংখ্যা বাড়ছে, তাতে পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠবে। যেকোনোভাবে রোহিঙ্গা নারী-পুরুষদের জন্মনিয়ন্ত্রণের আওতায় আনতে হবে। তা না হলে অচিরেই প্রাকৃতিক বৈচিত্র্যের জেলা কঙ্বাজারে জনবিস্ফোরণ ঘটবে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সূত্র জানায়, বাংলাদেশে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীর চাহিদা অর্ধেকটা সরকারি পরিষেবা থেকে এবং বাকিটা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে পূরণ হয়। জন্মনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার মধ্যে পিল সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। সামগ্রী ব্যবহারের অর্ধেকই পিল। বাকি অর্ধেকের মধ্যে আছে ইনজেকশন, কনডম, নারী ও পুরুষের বন্ধ্যাকরণ, ইমপ্লান্ট ইত্যাদি। পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, গত এপ্রিল ও মে মাসে পিল ও কনডমের ব্যবহার কমে যায় প্রায় ৩০ শতাংশ। স্থায়ী পদ্ধতি গ্রহণের পরিমাণও কমে যায় ব্যাপকভাবে।

যেমন জানুয়ারি থেকে মার্চ মাসে গড়ে প্রায় তিন হাজার ভ্যাসেকটমি (পুরুষের বন্ধ্যাকরণ) হলেও এপ্রিল মাসে এ সংখ্যা ছিল ২৬৩ এবং মে মাসে ১২১। নারী বন্ধ্যাকরণ বা কিউবেকটমির সংখ্যা জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে ছয় হাজারের ওপরে হলেও এপ্রিলে এর সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৮০০ আর মে মাসে এ সংখ্যা ২ হাজার ৬০০।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম বলেন, এই তিন দুর্যোগে পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে নারীদের প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা। অধ্যাপক মাইনুল ইসলাম বলেন, ‘বাংলাদেশে প্রতিবছর ২০ লাখ শিশু জন্ম নেয়। সেই হিসাবে, করোনা পরবর্তী নয় মাসে অন্তত ২ লাখ ৩৫ হাজার অতিরিক্ত শিশুর জন্ম হবে।’ অবসটেট্রিক্যাল অ্যান্ড গাইনোকোলজিক্যাল সোসাইটি অব বাংলাদেশের (ওজিএসবি) সাবেক সভাপতি রওশন আরা বেগম বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে পরিবার পরিকল্পনার বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে নেয়ার জন্য আমরা পরামর্শ দিয়েছিলাম পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরকে। কিন্তু তারা ব্যর্থ হয়েছে। এটা তারা স্বীকারও করেছে। লোকবল, সামগ্রীর স্বল্পতাসহ বিভিন্ন সমস্যার কথা জানিয়েছে অধিদফতর।

দেশে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীর এক-তৃতীয়াংশ সরবরাহ করে সোশ্যাল মার্কেটিং কোম্পানি (এসএমসি)। বেসরকারি খাতে দেশে এটিই সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান। এসএমসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আলী রেজা খান জানান, এ বছরের প্রথম তিন মাসের তুলনায় এপ্রিল, মে ও জুন মাসে তাদের জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীর সরবরাহ বেড়ে গেছে। আলী রেজা খান বলেন, জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীর অন্য উৎস থেকে সরবরাহ কমে যাওয়ায় আমাদেরটা বেড়ে গেছে।

বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এসএমসির জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীর চাহিদা বৃদ্ধি ইঙ্গিত দেয়, সরকারি সরবরাহ কমে যাওয়ায় মানুষ বেসরকারি খাতের দিকে ঝুঁকেছে।

এ অবস্থার মধ্যেই এসে পড়েছে বন্যা। দেশের অন্তত ২৪টি জেলায় বন্যা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর মধ্যে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে বেশ পিছিয়ে থাকা সিলেট অঞ্চলও রয়েছে।

বাড়িতে সন্তান প্রসব বেড়েছে ২৩ শতাংশ : করোনার কারণে বাড়িতে সন্তান প্রসবের হার বেড়েছে ২৩ শতাংশ। জনস্বাস্থ্যবিদ ও সরকারের করোনাবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আবুল জামিল ফয়সাল সমপ্রতি পরিকল্পনা কমিশনের এক সভায় সংক্রান্ত তথ্য উপস্থাপন করেন। সেখানে দেখা যায়, গত বছর মার্চ-এপ্রিল মাসে চারবার প্রসবপূর্ব সেবা নিয়েছিলেন ২০ হাজার ৩২৬ জন নারী। এ বছর এ সময়ে এ সেবা নেয়া নারীর সংখ্যা ১৫ হাজার ৬৩১ জন। গত বছর এই দুই মাসে উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোয় স্বাভাবিক প্রসব হয়েছিল ২৫ হাজার ১৯২টি। এ বছর হয়েছে ২০ হাজার ৯০০টি।

সূত্র-ইন্টোরনেট/এসএমবি

ভালুকায় আরিফ স্পিনিং মিলে রহস্যজনক চুরি এক শ্রমিকে ফাঁসিয়ে দেয়ার অভিযোগ

0

ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধিঃ


ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার জামিরদিয়া এলাকায় অবস্থিত আরিফ নীট স্পিনিং মিলে রহস্যজনক চুরির ঘটনা ঘটেছে। কোম্পানির কর্মকর্তাদের অভিযোগ প্রায় আড়াই কোটি টাকা মূল্যের মালামাল কোম্পানির কেন্দ্রিয় ভান্ডার থেকে চুরি হয়েছে।

এ ঘটনায় বকুল নামের এক শ্রমিককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। গ্রেফতারকৃত বকুলকে ৫দিন রিমান্ড চেয়ে শনিবার দুপুরে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। কোটি কোটি টাকার মালামাল ভান্ডারে মজুত থাকার পরও কোনো সিসিটিভি ক্যামেরা না থাকায় মাত্র আধা ঘন্টার জন্য রুমে ঢুকার পর আড়াই কোটি টাকার মালামাল চুরির অভিযোগ তোলাই ঘটনাটি নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়,গত শুক্রবার (১০ জুলাই) কোম্পানির শ্রমিক জেলার নান্দাইল উপজেলার খাইরুয়া গ্রামের বাসিন্দা মৃত মামুদ আলীর ছেলে বকুল কোম্পানির কেন্দ্রিয় ভান্ডার থেকে জেনারেটর দু’টি প্লাগ চুরি করে নিয়ে যাওয়ার সময় তাকে হাতে নাতে ধরে ফেলেন।

এ ঘটনায় কোম্পানির ব্যবস্থাপক কামরুজ্জামান তালুকদার বিদ্যুৎ বাদী হয়ে একজনের নাম উলেখ্য করে ২ কোটি,৪২ লাখ ৮০ হাজার টাকার মালামাল চুরির ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। গ্রেফতারকৃত বকুলের ভাই বুলবুল দাবী করেন আরিফ নীট স্পিনিং মিল একটি বিশাল আকারের প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানে কয়েকস্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে। পুরো মিলটি সিসি টিভি ক্যামেরার আওতায় রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির মালিক বিদেশে অবস্থান করেও নেটের মাধ্যমে মনিটরিং করে থাকেন। আমার ভাই বকুল ওই দিন আধা ঘন্টার জন্য ওই রুমে ডিউটি পরে।

আধা ঘন্টার মধ্যে কি ভাবে প্রায় আড়াই কোটি টাকার মালামাল একাই চুরি করল? যদি কোম্পানিতে চুরি হয়ে থাকে তাহলে মালিকের অনুপস্থিতিতে কোম্পনির বড় বড় কর্তারা একে অপরের যোগসাজশে কোম্পনির মালামাল চুরি করে নিয়ে আমার নিরপরাধ ভাই কে ফাঁসিয়ে দিয়েছে। কোম্পানির আনাচে কানাচে সিসি টিভি ক্যামেরা থাকলেও কেন্দ্রিয় ভান্ডারে কোন সিসি টিভি ক্যামেরা নেই।

কামরুজ্জামান তালুকদার বিদ্যুৎ জানান, বকুলের কাছ থেকে দু’টি মূল্যবান প্লাাগ নিরাপত্তা কর্মীরা জব্দ করেন। কোটি কোটি টাকার সম্পদ রক্ষিত কেন্দ্রিয় ভান্ডারে কেন সিসি টিভি ক্যামেরা নেই প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন আপনি একটু বিপুল স্যারের সাথে কথা বলুন।

এ ব্যাপারে ডিজিএম কবির উদ্দিন বিপুলের মোবাইল নাম্বারে বারবার ফোন দিয়ে রিসিভ না করায় তার মন্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। ভালুকা মডেল থানার এস,আই মোঃ কাজল হোসাইন জানান,এঘটনায় অপর আসামী হিসাবে কোম্পানির ষ্টোর অফিসার মাসুদ কে আটক করা হয়েছে। এ চুরির সাথে কোম্পানির বড় কর্মকর্তারাও জড়িত থাকতে পারে। মামলাটি নিবির তদন্তাধীন রয়েছে।

সুবর্নবাংলা-১২ জুলাই ২০২০

ভালুকায় হবিবাড়ীর স্বেচ্ছাসেবীরা করোনা মোকাবেলায় প্রশংসিত

0

ভালুকা (ময়মনসিংহ) থেকে তমাল কান্তি সরকারঃ

ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ি ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবীদের করোনা মোকাবেলায় ভ’মিকার প্রশংসা করলেন ময়মনসিংহ জেলার করোনা পরিস্থিতির তদারকীর দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিকল্পনা কমিশনের সচিব সুবীর কিশোর চৌধুরী।

তিনি শনিবার (১১জুলাই) বিকেলে ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ি ইউনিয়ন এলাকার করোনা পরিস্থিতি পরিদর্শন করে ওই এলাকায় করোনা মোকাবেলায় ইউনিয়নের স্বেচ্ছাসেবীদের ভূমিকায় সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং করোনা নিয়ন্ত্রনে সক্ষম ইউনিয়নের স্বেচ্ছাসেবীদের কর্মকান্ডকে রোল মডেল হিসাবে অবিহিত করেন। একই সময় তিনি স্থানীয় প্রশাসন ও সেচ্ছাসেবীদের ধন্যবাদ জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদ কামাল, সহকারী কমিশনার (ভূমি) রোমেন শর্মা, উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প কর্মকর্তা ডা. শোহেলী শারমিন, ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মাঈন উদ্দিন, হবিরবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান তোফায়েল আহাম্মেদ বাচ্চুসহ সেচ্ছাসেবীরা ওই সময় উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় পরিকল্পনা কমিশনের সচিব সুবীর কিশোর চৌধুরী পথচারীদের মাঝে মাস্ক বিতরণ করেন।

সুবর্নবাংলা- ১২ জুলাই ২০২০

কেন্দুয়ার প্রবীণ ব্যবসায়ী জালাল মহাজন আর নেই

0

কেন্দুয়া প্রতিনিধি-

নেত্রকোণার কেন্দুয়া পুরাতন বাসষ্টেন্ডের প্রবীণ ব্যবসায়ী জালাল উদ্দিন ভূঞা ওরফে জালাল মহাজন আর নেই। তিনি শনিবার (১১ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে বার্ধক্য জনিতকারণে নিজবাড়ী কেন্দুয়া পৌরসদরের কান্দিউড়া গ্রামে মৃত্যুবরণ করেন।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। তিনি স্ত্রী ২ ছেলে ৫ মেয়ে নাতী-নাতনী আত্মীয়-স্বজনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে যান।

তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক ও পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন কেন্দুয়া পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুল হক ভূঞা, চেকআপ ডায়গষ্টিক সেন্টারের পরিচালক রাশেদ খন্দকার, কেন্দুয়া বাজার কমিটির সভাপতি এনামুল হক ভূঞা। বিকাল সাড়ে ৫টায় জানাযার নামাজ শেষ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়।

সুবর্নবাংলা-১১ জুলাই ২০২০

ফুলপুরে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত

0

মোঃকামরুল ইসলাম খান ফুলপুর প্রতিনিধি-

ময়মনসিংহের ফুলপুরে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত হয়েছে। ফুলপুর উপজেলা প্রশাসন ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ এর আয়োজন করে।

এ উপলক্ষে উপজেলা অফিসার্স ক্লাব মিলনায়তনে ভিডিও কনফারেন্সিং জুমের মাধ্যমে ‘মহামারী কোভিড-১৯ কে প্রতিরোধ করি, নারী ও কিশোরীর সুস্বাস্থ্যের অধিকার নিশ্চিত করি’ প্রতিপাদ্য ‍বিষয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ এমপি। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউল করিম রাসেল।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ইউএনও শীতেষ চন্দ্র সরকার, ওসি ইমারত হোসেন গাজী, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রীর প্রতিনিধি উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান হাবিব, উপজেলা কৃষি অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মেহেরুন্নেসা সিদ্দিকী, সমাজসেবা কর্মকর্তা শিহাব উদ্দিন খান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

সুবর্নবাংলা-১১ জুলাই ২০২০